রিয়া চক্রবর্তীর পডকাস্টে জেন-জি প্রজন্মের সম্পর্ক ভাবনা নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করলেন অর্জুন রামপাল।

অর্জুন রামপাল
শেষ আপডেট: 16 December 2025 16:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বলিউড অভিনেতা অর্জুন রামপাল (Arjun Rampal) আপাতত চর্চার কেন্দ্রে তাঁর নতুন ছবি ‘ধুরন্ধর’ (Dhurandhar)-এর জন্য। ছবিতে একেবারে ভিন্ন রূপে ধরা দিয়েছেন তিনি। আইএসআই অফিসার মেজর ইকবাল (ISI Officer Major Iqbal)-এর চরিত্রে। তবে কাজের বাইরেও ব্যক্তিগত জীবন ও সম্পর্ক নিয়ে তাঁর সাম্প্রতিক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে আলাদা আলোচনা।
দীর্ঘদিন ধরেই অর্জুন রামপাল বিয়ে না করেই তাঁর বান্ধবী গ্যাব্রিয়েলা ডেমেট্রিয়াডস (Gabriella Demetriades)-এর সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কে রয়েছেন। ২০১৮ সাল থেকে একসঙ্গে বসবাস করছেন তাঁরা এবং ইতিমধ্যেই ছয় বছরের বেশি সময় একসঙ্গে কাটিয়েছেন এই জুটি। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে তাঁরা তাঁদের বাগদানের (engagement) কথাও প্রকাশ্যে এনেছেন। এই দম্পতির দুই সন্তান, একজনের নাম আরিক (Arik) এবং অন্যজনের নাম আরিভ (Ariv)।
এর মধ্যেই রিয়া চক্রবর্তীর (Rhea Chakraborty) পডকাস্ট ‘চ্যাপ্টার ২’ (Chapter 2 Podcast)-এ অতিথি হয়ে এসে জেন-জির সম্পর্ক ভাবনা নিয়ে মুখ খুলেছেন অর্জুন। পডকাস্টে রিয়া প্রশ্ন তোলেন, বর্তমান প্রজন্মের সম্পর্কের সংজ্ঞা কীভাবে বদলে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আজকের দিনে এমনকি কয়েক মিনিটের সম্পর্কের জন্যও আলাদা শব্দ তৈরি হয়েছে, যার নাম ‘ন্যানোশিপ’ (Nano-relationship / Nanoship)। রিয়ার কথায়, কোনও সম্পর্ক যদি ১০ মিনিট বা তার বেশি সময় স্থায়ী হয়, তাহলে সেটাকেই ন্যানোশিপ বলা হচ্ছে।
এই প্রসঙ্গে অর্জুন রামপালের প্রতিক্রিয়াও ছিল যথেষ্ট ব্যঙ্গাত্মক। অভিনেতা বলেন, জেন-জি প্রজন্ম সব কিছুরই নামকরণ করতে ভালবাসে। তাঁর কথায়, “যে প্রজন্ম আসলে সম্পর্কের নাম দিতে ঘৃণা করে, তারাই আবার সব কিছুর জন্য আলাদা আলাদা নাম বানিয়ে ফেলেছে।” তাঁর মতে, এখন সম্পর্ক খুবই স্বল্পস্থায়ী, যা কয়েক মিনিটের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়।
এখানেই থামেননি অর্জুন। তিনি মজা করে আরও বলেন, “আমার মনে হয়, ওঁদের নিজেদের একটা আলাদা অভিধান বানিয়ে নেওয়া উচিত (own dictionary for Gen Z)।”
জেনারেশন জি (Gen Z) প্রজন্মের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতাও ভাগ করে নেন অভিনেতা। অর্জুন জানান, তাঁদের কাজের ধরন একেবারেই আলাদা। তিনি বলেন, তাঁর প্রজন্ম দিনে ২০ ঘণ্টা কাজ করতে অভ্যস্ত, কোনও কাজ শুরু করলে শেষ না করা পর্যন্ত বিশ্রাম নেন না। কিন্তু জেন-জি তাড়াহুড়ো করতে পছন্দ করে না। বরং এতটাই দৃঢ় অবস্থানে থাকে যে অনেক সময় সিনিয়রদেরই কাজ ছেড়ে দিতে হয়।