স্ত্রী হেমা মালিনীর পছন্দের জন্য ৪৫ বছর ধরে আমিষ ছুঁয়েও দেখেননি ধর্মেন্দ্র। এষা দেওল জানালেন বাবা-মায়ের অজানা প্রেমকাহিনি।

হেমা মালিনী ও ধর্মেন্দ্র
শেষ আপডেট: 26 September 2025 12:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বলিউডের প্রেমের গল্প অনেক, তবে ধর্মেন্দ্র-হেমা মালিনীর সম্পর্ক যেন এক আলাদা অধ্যায়। চার সন্তানের বাবা হয়েও ‘ড্রিম গার্ল’-এর প্রেমে পড়েছিলেন ধর্মেন্দ্র। জিতেন্দ্রর সঙ্গে বিয়ে প্রায় পাকা হলেও শেষ পর্যন্ত হেমা হাত ধরেছিলেন ইতিমধ্যেই বিবাহিত ধর্মেন্দ্রর। সমাজ-পরিবারের রীতিনীতি একপাশে সরিয়ে, শুধু মনের টানে ১৯৮০ সালের ২ মে বিয়ে করেন তাঁরা। সেই থেকে কেটে গিয়েছে ৪৫ বছর।
সম্প্রতি তাঁদের মেয়ে এষা দেওল এক সাক্ষাৎকারে বাবা-মা’কে ঘিরে এমন এক গোপন তথ্য প্রকাশ করেছেন, যা অনেকেরই অজানা। তিনি জানিয়েছেন, ৮৯ বছর বয়সেও হেমার মন জুগিয়ে চলেন ধর্মেন্দ্র। কীভাবে? উত্তর আছে তাঁদের খাদ্যাভ্যাসে।
পাঞ্জাবি রীতিতে বেড়ে ওঠা ধর্মেন্দ্র ছিলেন পাকা আমিষভোজী। কিন্তু দক্ষিণী কন্যে হেমা মাছ-মাংসের গন্ধই সহ্য করতে পারেন না। তাই স্ত্রীর পাশে থাকলেই ধর্মেন্দ্র আমিষ ছেড়ে নিরামিষ খাওয়া শুরু করেন! এষার কথায়, “আমার বাবা মায়ের পছন্দকে এতটাই সম্মান করেন যে, তিনি যখনই মায়ের সঙ্গে থাকেন, নিরামিষভোজী হয়ে যান। বাইরে ঘুরতে গেলে যদি কখনও আমিষ খানও, সেটা আলাদা ঘরে বসে খান।”
এষা আরও জানান, তিনিও মায়ের মতো দক্ষিণ ভারতীয় খাবার খেয়ে বড় হয়েছেন। ইডলি, ধোসা, সাম্বার, দইভাত তাঁর ভীষণ প্রিয়। এমনকি এখন তাঁর মেয়েরাও সপ্তাহে অন্তত তিন দিন রাঁধুনিকে এসব রান্না করতে বলেন।
অভিনয় কেরিয়ার শুরুর আগেই ধর্মেন্দ্র বিয়ে করেছিলেন প্রকাশ কৌরকে। মাত্র ১৯ বছর বয়সে সেই সংসার শুরু হয়, যাঁর সঙ্গে আজও তাঁর সম্পর্ক অটুট। সানি, ববি, বিজেতা ও অজিতা, প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর চার সন্তান। অন্যদিকে হেমা-ধর্মেন্দ্রর সংসারে এসেছে এষা ও অহনা।
ধর্মেন্দ্র ও হেমার প্রথম দেখা হয়েছিল ১৯৭০ সালে ‘তুম হাসিন মেঁ জওয়ান’ ছবির সেটে। সেখান থেকেই শুরু হয় প্রেম, যা তখন মেনে নেননি হেমার বাবা। তাঁর মৃত্যুর পরেই আইনি ও সামাজিক বাধা পেরিয়ে সংসার শুরু করেন এই দুই তারকা।