‘তাল’ ছবির শ্যুটিংয়ে ঐশ্বর্যার ব্রা ঠিক করার কথা বলেন পরিচালক সুভাষ ঘাই—স্মৃতিচারণ করলেন ববি ডার্লিং। জানালেন, ঐশ্বর্যকে স্ত্রী হিসেবে চাইতেন যদি ছেলে হতেন।

ঐশ্বর্যা রাই
শেষ আপডেট: 8 July 2025 23:27
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এক সময়ের বলিউড অভিনেত্রী ববি ডার্লিং, যাঁর জন্মের নাম পঙ্কজ শর্মা, এবার খোলাখুলি জানালেন কীভাবে সুভাষ ঘাইয়ের 'তাল' ছবির শ্যুটিং চলাকালীন ঐশ্বর্যা রাইয়ের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়েছিলেন তিনি। ছোট্ট একটি চরিত্রে অভিনয় করলেও, ওই ছবিই ছিল তাঁর প্রথম বড়পর্দায় কাজ। শ্যুটিং করেছিলেন টানা ২৫ দিন।
সিদ্ধার্থ কান্নানের পডকাস্টে এসে ববি জানান, “সুভাষ ঘাই আমাকে ‘তাল’-এ একটি ছোট চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ দিয়েছিলেন। চরিত্রটা ছিল ঐশ্বর্যার ডিজাইনারের। প্রতিদিন ২৫০০ টাকা পেতাম। ঘাই সাহেব নিজে অডিশন নিয়েছিলেন। গান শ্যুট হচ্ছিল—‘জঙ্গল মে বোলে কোয়েল’… ঐশ্বর্যা রাই দাঁড়িয়ে আছেন, আর সুভাষজী বললেন, ‘ববি, ওর ব্লাউজের হুকটা চেপে বন্ধ করো।’ আমি তো ভয়ে ভয়ে হাত কাঁপিয়ে সেটা করে দিলাম। ভগবান যেন নিজে দাঁড় করিয়ে দিল ঐশ্বর্যার পাশে!”
সেই মুহূর্তটিই যেন আজও তাঁর মনে গেঁথে রয়েছে। ববি বলেন, “হয়তো ব্রা ছিল, বা ব্লাউজ—নাম যাই হোক না কেন। ঐশ্বর্যা খুব ভদ্র, বিনয়ী এবং সহজ সরল ছিলেন। কাজ করতে করতে মনে হচ্ছিল, যদি ছেলে হতাম, এমন মেয়েকেই স্ত্রী হিসেবে চাইতাম।”
২০১৫ সালে ব্যাংককে গিয়ে লিঙ্গ পরিবর্তনের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করেন ববি ডার্লিং। পরের বছর, ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিয়ে করেন ভোপালের ব্যবসায়ী রমনিক শর্মাকে। কিন্তু সেই সম্পর্ক বেশিদিন টেকেনি। ববির অভিযোগ, বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই স্বামী তাঁকে শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন করতেন, আটকে রাখতেন বাড়িতে, এবং মদ্যপ অবস্থায় মারধর করতেন। যদিও রমনিক পাল্টা অভিযোগ করেন, ববির অন্য পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। ২০১৭ সালে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়।