‘স্পিরিট’ থেকে সরে দাঁড়ানোর পর আবারও প্রভাসের বিপরীতে একটি বড় প্রজেক্ট থেকে ছিটকে যেতে পারেন দীপিকা পাড়ুকোন।

দীপিকা পাড়ুকোন
শেষ আপডেট: 6 June 2025 11:27
দ্য় ওয়াল ব্যুরো: ‘স্পিরিট’ থেকে সরে দাঁড়ানোর পর আবারও প্রভাসের বিপরীতে একটি বড় প্রজেক্ট থেকে ছিটকে যেতে পারেন দীপিকা পাড়ুকোন। পরিচালক নাগ অশ্বিনের বহুচর্চিত ছবি ‘কল্কি ২৮৯৮ ই.ডি’-তেও তাঁর চরিত্র ছোট করে দেওয়ার জোর সম্ভাবনার খবর সামনে এসেছে।
সম্প্রতি বলিউড মোবি নামের একটি ইনস্টাগ্রাম পেজে দাবি করা হয়েছে, মা হওয়ার পর দীপিকা দৈনিক ৮ ঘণ্টার বেশি কাজ না করার অনুরোধ জানাচ্ছেন। সেটে তাঁর এই দাবি ঘিরেই শুরু হয়েছে অস্বস্তি, যার প্রভাব পড়ছে ছবির শুটিং শিডিউলে। সূত্রের দাবি, এই কারণেই ‘কল্কি ২’-এ দীপিকার চরিত্রে কাটছাঁট করছেন নির্মাতারা। যদিও এই বিষয়ে নির্মাতাদের তরফে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি।
এর আগে ‘আনিম্যাল’-খ্যাত পরিচালক সন্দীপ রেড্ডি ভাঙা পরিচালিত ছবি ‘স্পিরিট’-এর ক্ষেত্রেও দীপিকার একই দাবি ঘিরে জটিলতা তৈরি হয়। অভিনেত্রী জানান, তিনি দিনে সর্বোচ্চ ৮ ঘণ্টা কাজ করতে পারবেন। পরিচালক সন্দীপ এই দাবি মানতে নারাজ হন, এবং শেষমেশ দীপিকা সেই প্রজেক্ট থেকে নিজেই সরে দাঁড়ান। পরে দীপিকার জায়গায় ওই ছবিতে চূড়ান্ত করা হয় তৃপ্তি দিমরিকে, যাঁর সঙ্গে সন্দীপ এর আগেও কাজ করেছেন।
তবে এখানেই থেমে থাকেননি পরিচালক। দীপিকার সঙ্গে হওয়া কথোপকথন এবং তাঁর প্রস্থানের কারণ নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। এক দীর্ঘ পোস্টে সন্দীপ লেখেন, “আমি যখন কোনও অভিনেতাকে আমার গল্প বলি, তখন আমি তাকে ১০০% বিশ্বাস করি। আমাদের মধ্যে একটি মৌখিক চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু আপনি দেখালেন, আপনি আসলে কেমন মানুষ।” নারীবাদ নিয়ে দীপিকার অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
সন্দীপ আরও লেখেন, “পরের বার দয়া করে পুরো গল্পটাই ফাঁস করো। কারণ আমি এখন আর কিছুতেই পরোয়া করি না। খুন্দকের বিড়াল একটি স্তম্ভ।” দীপিকার পক্ষে অবশ্য সরাসরি কিছু বলা হয়নি, তবে বলিউডের একাংশ তাঁর কাজের সময় নির্ধারণের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন। তাঁদের মতে, সন্তানসম্ভবা বা সদ্য মা হওয়া অভিনেত্রীর পক্ষে ভারসাম্য রেখে কাজ করা একান্ত প্রয়োজনীয় এবং সে স্বাধীনতা তাঁর থাকা উচিত।
দীপিকার ‘স্পিরিট’ ছাড়ার ঘটনা ও ‘কল্কি ২’ ঘিরে জল্পনা—দু’টি ছবির কেন্দ্রেই ছিলেন প্রভাস। আর তাই নেটিজেনদের কৌতূহল আরও বেড়েছে, দীপিকার এই সিদ্ধান্ত কি শুধুই ব্যক্তিগত জীবন ও কাজের সময়ের সমীকরণের ফল? নাকি প্রজেক্ট বাছাইয়ে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিতে বদল আসছে?