কুসুম আন্টি এত ভালবাসতেন আমাদের হাসি, মজায় কেটে যেত শৈশব। তিনি কখনও আমাদের কড়া শাসন করেননি। ভালবাসা দিয়েই আমাদের ভুল বুঝিয়ে দিতেন।

গ্রাফিক্স দিব্যেন্দু দাস
শেষ আপডেট: 5 September 2025 16:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বলিউডের বঙ্গকন্যাদের মধ্যে উজ্জ্বল নাম নন্দিতা দাস (Nandita Das)। মেনস্ট্রিম ছবির বাইরে, অন্যধারার ছবিতে নন্দিতা প্রথম সারির নায়িকা। 'ফায়ার', 'আর্থ','বিফোর দ্য রেন' প্রভৃতি ছবিতে দাগ কেটেছিল নন্দিতার মর্মস্পর্শী অভিনয়। পাশাপাশি বাংলা ছবিতেও নন্দিতা আমাদের ঘরের মেয়ে। মৃণাল সেনের 'আমার ভুবন', ঋতুপর্ণ ঘোষের 'শুভ মহরৎ', সুমন ঘোষের 'পদক্ষেপ' ছবিতে তাঁর অভিনয় সকলের প্রিয়।
নন্দিতা দাস, আন্তর্জাতিক মানের অভিনেত্রী হয়েও কিন্তু তাঁর শৈশবের শিক্ষিকাকে ভোলেননি। শিক্ষক দিবসের কয়েক মাস আগেই নিজের ছোটবেলার দিদিমণির কাছে পৌঁছে গেলেন নন্দিতা দাস।

বাবা-মায়ের পরে আমাদের যাঁরা শিক্ষা দিয়ে থাকেন তাঁরা হলেন শিক্ষক-শিক্ষিকা। সবার ভাগ্যে সবসময় এমন মাতৃসমা শিক্ষিকা জোটে না। কিন্তু নন্দিতা ছোটবেলায় পেয়েছিলেন এমন শিক্ষাগুরু।
নন্দিতা সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করলেন তাঁর প্রবীণা শিক্ষিকার সঙ্গে তাঁর আর নিজের ছেলের ছবি।
অভিনেত্রী লিখলেন 'আমরা সবাই জানি যে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ভূমিকা আমাদের জীবনে অনেকখানি প্রভাব ফেলে। আমাদের ছোটবেলায় বীজ থেকে চারাগাছ করে বড় করেন তাঁরাই। আমি আজকের শিক্ষক দিবস (Teachers Day) উৎসর্গ করছি আমার ছোটবেলার কুসুম আন্টিকে। '

ছোটবেলার দিদিমণি সম্পর্কে নন্দিতা আরও লেখেন 'কুসুম আন্টি ছিল আমাদের মা আবার বন্ধুও। নার্সারি থেকে প্রাথমিক শ্রেণীগুলিতে তিনি আমাদের আগলে রেখেছিলেন। দিল্লীর এই সর্দার প্যাটেল বিদ্যালয়ে আমি আমার সমগ্র স্কুলিং জীবন কাটিয়েছি।
কুসুম আন্টি এত ভালবাসতেন আমাদের হাসি, মজায় কেটে যেত শৈশব। তিনি কখনও আমাদের কড়া শাসন করেননি। ভালবাসা দিয়েই আমাদের ভুল বুঝিয়ে দিতেন। কয়েক মাস আগেই দেখা করলাম আবার কুসুম আন্টির সঙ্গে, তাঁর বাড়ি গিয়ে। আমার ছেলে বিহান উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠল মায়ের শিক্ষিকাকে দেখে। সেই ছোটবেলার মতো হাসি, মজায়, স্নেহে আবার যেন ফিরে এল শৈশব।'