Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
গরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার

খাওয়ার টেবিলে অন্তত ১০ পদের রান্না রাখতেই হত, সব অল্প অল্প করে খেয়ে রেখে দিতেন রাজেশ খান্না

রাজেশ খান্নার খাবার টেবিলে থাকত অন্তত ১০ পদের রান্না! অনিতা আদবানি জানালেন কিংবদন্তি অভিনেতার খাদ্যাভ্যাসের চমকপ্রদ কাহিনি।

খাওয়ার টেবিলে অন্তত ১০ পদের রান্না রাখতেই হত, সব অল্প অল্প করে খেয়ে রেখে দিতেন রাজেশ খান্না

রাজেশ খান্না

অন্বেষা বিশ্বাস

শেষ আপডেট: 22 August 2025 12:17

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কিংবদন্তি অভিনেতা রাজেশ খান্না-র জীবনযাপন ছিল রাজার মতো, এবং তাঁর খাদ্যাভ্যাসেও সেই ছাপ ছিল স্পষ্ট। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাঁর কথিত বান্ধবী অনিতা আদবানি অভিনেতার বিশেষ খাদ্যাভ্যাস নিয়ে বেশ কিছু চমকপ্রদ তথ্য ফাঁস করেছেন।

'রিল মিটস রিয়েল উইথ পূজা সামন্ত' নামের ইউটিউব চ্যানেলে অনিতা বলেন, রাজেশ খান্না সবসময়ই তাঁর খাবার টেবিলে নানা ধরনের পদের সমাহার চাইতেন। এমনকি যখন তিনি পরোটা খেতে চাইতেন, তখনও তাঁর সামনে বিভিন্ন ধরনের পরোটা পরিবেশন করা হতো। তিনি প্রতিটি পরোটা থেকে এক কামড় করে খেয়ে বাকিটা রেখে দিতেন।

অনিতা বলেন, “বাড়িতে তাঁর জন্য ৬-৭ জন কর্মচারী ছিল এবং একজন রাঁধুনিও সব সময় থাকত। আমিও মাঝে মাঝে তাঁর জন্য রান্না করতাম। তিনি ছোলে ভাটুরে খুব পছন্দ করতেন, তাই আমি নিজে হাতে সেটি রান্না করা শিখেছিলাম।”

অনিতা আরও জানান, রাজেশ খান্না প্রতিদিন দোসা খেতে চাইতেন এবং খাবার টেবিলে যদি ১০টির কম পদ থাকত, তাহলে তিনি অসন্তুষ্ট হতেন। অনিতা বলেন, “তিনি যখন পরোটা খেতে চাইতেন, তখন আমাদের আলুর পরোটা, মুলোর পরোটা, ফুলকপির পরোটা - সব ধরনের পরোটা তৈরি করতে বলতেন। তিনি প্রতিটি পরোটা থেকে শুধু এক কামড় খেতেন।”

হোস্ট যখন প্রশ্ন করেন যে তাহলে বাকি খাবার নষ্ট হয়ে যেত কি না, তখন অনিতা জানান, সেই একই খাবার বাড়ির কর্মীরা খেতেন। তিনি আরও বলেন, “যদি এত ধরনের পদ দেওয়া না হতো, তাহলে তিনি বলতেন, ‘আমরা কি উদ্বাস্তু? খাবার দেওয়া হয় না কেন?’ তবে এত খাবারের আয়োজন থাকলেও, রাজেশ খান্না নিজে খুবই কম খেতেন। তিনি মাত্র দুটি রুটি খেতেন।


```