Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
৪২-এ বেবি বাম্প নিয়েও ওয়েট লিফটিং! স্বামী বরুণের সঙ্গে সমুদ্রসৈকতে রোম্যান্স করিশ্মারIPL 2026: হেরেও শীর্ষে রাজস্থান! কমলা ও বেগুনি টুপি আপাতত কোন দুই তারকার দখলে? প্রকাশ্যে আয়-সম্পত্তির খতিয়ান, রাজ না শুভশ্রী! সম্পত্তির নিরিখে এগিয়ে কে? অ্যাপল ওয়াচ থেকে ওউরা রিং, কেন একসঙ্গে ৩টি ডিভাইস পরেন মুখ্যমন্ত্রী? নেপথ্যে রয়েছে বড় কারণপ্রসবের তাড়াহুড়োয় ভয়াবহ পরিণতি! আশাকর্মীর গাফিলতিতে দু'টুকরো হল শিশুর দেহ, মাথা রয়ে গেল গর্ভেই২০ বছরের 'রাজ্যপাট'! ইস্তফা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী ‘সুশাসন বাবু' নীতীশ কুমারের, উত্তরসূরির শপথ কবেমুম্বইয়ের কনসার্টে নিষিদ্ধ মাদকের ছড়াছড়ি! 'ওভারডোজে' মৃত্যু ২ এমবিএ পড়ুয়ার, গ্রেফতার ৫IPL 2026: ‘টাইগার জিন্টা হ্যায়!’ পাঞ্জাবকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ভাইরাল মিমের স্মৃতি উসকে দিলেন সলমন আইপ্যাকের ডিরেক্টর গ্রেফতারের পর এবার পরিবারের পালা! ইডির নজরে প্রতীক জৈনের স্ত্রী ও ভাই, তলব দিল্লিতেSakib Hussain: গয়না বেচে জুতো কিনেছিলেন মা, সেই ছেলেই আজ ৪ উইকেট ছিনিয়ে আইপিএলের নতুন তারকা

বসিয়ে দিয়েছিলেন ধোনি, শচিনের পরামর্শেই ২০০৮ সালে অবসর নেননি বীরু

আবেগপ্রবণ হয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নিও না। এক বা দু’টি সিরিজের জন্য নিজেকে সময় দাও এবং তারপর সিদ্ধান্ত নাও।

বসিয়ে দিয়েছিলেন ধোনি, শচিনের পরামর্শেই ২০০৮ সালে অবসর নেননি বীরু

সেওয়াগ, ধোনি ও শচিন

সৌম্য বাগচী

শেষ আপডেট: 15 August 2025 13:25

দ্য ওয়াল ব্যুরো: এক অজানা তথ্য প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রাক্তন বিস্ফোরক ওপেনার বীরেন্দ্র সেওয়াগ (Virender Sehwag)। নজফগড়ের নবাব বলেছেন, ২০০৭-২০০৮ সালেই নাকি তিনি ওডিআই ক্রিকেট থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত (Retirement) নিয়ে নিয়েছিলেন। কিন্তু ক্রিকেটের ঈশ্বর শচিন তেন্ডুলকরের (Sachin Tendulkar) পরামর্শে তিনি সেই সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকেন।

২০০৭-২০০৮-এ ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলতে মহেন্দ্র সিং ধোনির (MS Dhoni) নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়া গিয়েছিল ভারত। অস্ট্রেলিয়া ও ভারত ছাড়াও সেই সিরিজে ছিল শ্রীলঙ্কা। সেবার একদমই ফর্মে ছিলেন না বীরু। পাঁচ ম্যাচে ১৬.২০ গড়ে করেছিলেন মাত্র ৮১ রান। এরপর অধিনায়ক ধোনি তাঁকে প্রথম একাদশ থেকে বাদ দেন। 

পদ্মজিৎ শেহরাওয়াতের পডকাস্টে সেওয়াগ বলেছেন, ২০০৭-২০০৮ সিরিজে প্রথম তিন ম্যাচ খেলার পর ধোনি আমাকে বসিয়ে দেয়। এরপর আমাকে কিছু সময় খেলানো হয়নি। তখন আমার মনে হয়েছিল, আমি প্রথম একাদশের অংশ নই। তাহলে আমার আর ওয়ানডে ক্রিকেট খেলার কোনও প্রয়োজন নেই।

এরপর সেওয়াগ হতাশ হয়ে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়ে তেন্ডুলকরের কাছ থেকে পরামর্শ চেয়েছিলেন। তিনি শচিনকে নিজের মনের কথা জানান। কিন্তু শচিনের পরামর্শ বীরুর জীবন বদলে দেয়।

ভারতের এই প্রাক্তন ওপেনার বলেছেন, সেসময় তিনি তেন্ডুলকরের কাছে গিয়ে বলেনওয়ানডে থেকে অবসর নেওয়ার কথা ভাবছেন। সঙ্গে সঙ্গে শচিন বলে ওঠেন, “নাআমি ১৯৯৯-২০০০ সালে একই রকম সময় পার করেছি, তখন আমার মনে হয়েছিল আমার ক্রিকেট ছেড়ে দেওয়া উচিত। কিন্তু সেই সময় পার হয়ে যায়। খারাপ সময় দীর্ঘস্থায়ী হয় না। আবেগপ্রবণ হয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নিও না। এক বা দুটি সিরিজের জন্য নিজেকে সময় দাও এবং তারপর সিদ্ধান্ত নাও।

শচিনের পরামর্শ মেনে বীরু দলে দুর্দান্তভাবে ফিরে আসেন। তিনি প্রচুর রান করেন এবং ২০১১ সালের বিশ্বকাপে ভারতকে চ্যাম্পিয়ন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বীরেন্দ্র সেওয়াগ ২৫১টি ওয়ানডে ম্যাচে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করে ৩৫.০৫ গড়ে ১০৪.৩৩ স্ট্রাইক রেট-সহ ৮২৭৩ রান করেনযার মধ্যে ১৫টি সেঞ্চুরি এবং ৩৮টি হাফ-সেঞ্চুরি রয়েছে। ২০১৫ সালে বীরু সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নেন।

পডকাস্টে প্রাক্তন এই ভারতীয় ওপেনার তাঁর পুত্র আর্যবীর সম্পর্কেও কথা বলেছেন। বীরু বলেছেন, আর্যবীরের সঙ্গে আমার তুলনা হবেই। কিন্তু চাপ নিলে চলবে না। ওই চাপ সবসময় থাকবে। কিন্তু তোমার চাপ নেওয়া উচিত নয়। চাপ এমন একটা জিনিস যা তোমাকে দিতে হবে, নিলে চলবে না। আমি আশা করি সে ভারতের হয়ে খেলবে। অন্তত রঞ্জি ট্রফিতে আমি ওকে দেখছি।” 


```