সিরিজে ২-১-এ এগিয়ে। চলতি ম্যাঞ্চেস্টার টেস্টের যা হাল, তাতে নিঃসন্দেহে বলা যায় ‘অ্যাডিভান্টেজ ইংল্যান্ড’। তার আগে জো রুটদের যথেষ্ট সমীহ করছেন স্মিথ।

টিম ইংল্যান্ড
শেষ আপডেট: 25 July 2025 18:42
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নতুন বদলে পুরনো মদ নয়। মোড়ক, পানীয়—দুই-ই বদলে গেছে। বাজবলের ব্র্যান্ডিং পালটে ফেলেছে ইংল্যান্ড। আগে স্রেফ বিনোদনের জন্য মাঠে নামত যে দল, তারা এখন ফলের আশায় ইতিবাচক মেজাজে ক্রিকেট খেলছে। আগ্রাসন রয়েছে আগের মতোই। কিন্তু তাতে সূক্ষ্ম বদল এসেছে। এমনটাই মত অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার স্টিভ স্মিথের।
ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজ শেষের পর ইংরেজ বাহিনী নামতে চলেছে অ্যাসেজে। তার আগে শুভমানদের বিরুদ্ধে জয় দিয়েই অভিযান শেষ করতে পারেন বেন স্টোকসরা। সিরিজে ২-১-এ এগিয়ে। চলতি ম্যাঞ্চেস্টার টেস্টের যা হাল, তাতে নিঃসন্দেহে বলা যায় ‘অ্যাডিভান্টেজ ইংল্যান্ড’। তার আগে জো রুটদের যথেষ্ট সমীহ করছেন স্মিথ।
‘বাজবল’ নিয়ে ক্রিকেটবিশ্বে আলোচনার অন্ত নেই। নতুন টেস্ট দর্শন মন খুলে খেলা, বিনোদনের জন্য আগ্রাসী মানসিকতাকে গুরুত্ব দেয়। যদিও বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্টিভ স্মিথ বলেছেন, ‘গত কয়েক সপ্তাহে ওরা খেলছে পরিস্থিতি অনুযায়ী। আগের মতো শুধু বিনোদনের জন্য মাঠে নামছে না!’ সেই সঙ্গে যোগ করেছেন, ‘ওরা এখন সত্যি সত্যিই ম্যাচ জেতার জন্য খেলছে। যেটা ওদের আগের দর্শনের সঙ্গে একেবারে মেলে না!’
এই পর্যবেক্ষণ নিছক অনুমান নয়। সিরিজ চলাকালীন দেখা গিয়েছে, ব্রেন্ডন ম্যাককালামের কোচিংয়ে আক্রমণাত্মক খেলার ধরনে এসেছে সূক্ষ্ম পরিবর্তন। বেন স্টোকসের নেতৃত্বে ইংল্যান্ড হয়তো বুঝতে পেরেছে: শুধু চালিয়ে খেলা নয়, জিততে গেলে ফলমূলক ক্রিকেটও জরুরি।
ম্যাকালাম প্রবর্তিত ‘বাজবল’ টেস্ট ক্রিকেটে নতুন প্রাণসঞ্চার করেছে। বিশেষ করে ঘরের মাঠে। যদিও উপমহাদেশের কঠিন কন্ডিশনে—যেখানে সামনে ঘূর্ণি পিচ, চলে নিয়ত ধৈর্যের পরীক্ষা—সেখানে এই রণকৌশল কতটা কার্যকর, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই।