আইসিসি নিয়ম অনুযায়ী, লেভেল–১ অপরাধের সর্বনিম্ন শাস্তি হচ্ছে ‘অফিশিয়াল রিপ্রিম্যান্ড’। সর্বোচ্চ: ম্যাচ ফির অর্ধেক কেটে নেওয়া এবং এক বা দুই ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ করা।

সিদরা আমিন
শেষ আপডেট: 6 October 2025 17:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: একদিকে দুরন্ত ইনিংস, অন্যদিকে শাস্তির খাঁড়া, দিনের শেষে দলের পরাজয়! একই ম্যাচে বিচিত্র অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলেন পাকিস্তানের (Pakistan) ব্যাটার সিদরা আমিন (Sidra Amin)। রবিবার কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে (R Premadasa Stadium) ভারতের (India) বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ ম্যাচে ৮১ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেও রাগের বশে নিয়মভঙ্গের অভিযোগে বিদ্ধ হলেন। সোমবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC) তাঁকে ‘তিরস্কার’ (reprimand) ও এক ডিমেরিট পয়েন্টের শাস্তি বেঁধে দিয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে পাকিস্তানের ইনিংসের ৪০তম ওভারে। স্নেহ রানার (Sneh Rana) বলে আউট হওয়ার পর ক্ষোভ লুকোতে না পেরে হাতের ব্যাট সজোরে আছাড় মারেন সিদরা। আইসিসি-র নিয়ম অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক ম্যাচ চলাকালীন ব্যাট, পোশাক বা মাঠের সরঞ্জাম আঘাত করা ‘আনুষ্ঠানিক অসদাচরণ’ হিসেবে ধরা হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সিদরাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয় কোড অব কনডাক্টের (Code of Conduct) আর্টিকেল ২.২ ধারা অনুযায়ী—যা খেলোয়াড়দের জন্য নির্ধারিত শৃঙ্খলা-বিধির প্রথম স্তরের (Level 1) অপরাধের অন্তর্গত।
আইসিসি-র বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘৪০তম ওভারে আউট হওয়ার পর সিদরা নিজের ব্যাট দিয়ে জোরে পিচে আঘাত করেন। এটা মাঠের সরঞ্জাম ব্যবহারের অপব্যবহার। তাই তাঁকে আনুষ্ঠানিক তিরস্কার ও এক ডিমেরিট পয়েন্ট দেওয়া হয়েছে!’ সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারত ম্যাচ ফির ৫০ শতাংশ জরিমানা ও দুই ডিমেরিট পয়েন্ট। তবে যেহেতু এটি সিদরার গত ২৪ মাসে প্রথম অপরাধ, তাই হালকা শাস্তিতে ছাড় পেলেন। ম্যাচ রেফারি শান্দ্রে ফ্রিৎজ (Shandré Fritz) এই সাজার প্রস্তাব দেন, যা সিদরা বিনা আপত্তিতে মেনে নেন। ফলে আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি। অভিযোগ তোলেন অন-ফিল্ড আম্পায়ার লরেন আজেনব্যাগ (Lauren Agenbag) ও নিমালি পেরেরা (Nimali Perera), তৃতীয় আম্পায়ার কেরিন ক্লাস্টে (Kerrin Klaaste) এবং চতুর্থ আম্পায়ার কিম কটন (Kim Cotton)।
প্রসঙ্গত, আইসিসি নিয়ম অনুযায়ী, লেভেল–১ অপরাধের সর্বনিম্ন শাস্তি হচ্ছে ‘অফিশিয়াল রিপ্রিম্যান্ড’। সর্বোচ্চ: ম্যাচ ফির অর্ধেক কেটে নেওয়া এবং এক বা দুই ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ করা।