সাম্প্রতিক ঘরোয়া মরশুমে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন রেনশ। কুইন্সল্যান্ডের হয়ে গত বছর ৩৫০ রান করেছেন ৫০ গড় রেখে।

প্যাট কামিন্স
শেষ আপডেট: 7 October 2025 10:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঘরের মাঠে ভারতের (India) বিরুদ্ধে নামার আগেই বড় ধাক্কা অস্ট্রেলিয়া (Australia) শিবিরে। ওয়ানডে সিরিজে (ODI Series) খেলতে পারবেন না অধিনায়ক প্যাট কামিন্স (Pat Cummins)। কোমরের চোট (lumbar bone stress) থেকে এখনও পুরোপুরি সেরে উঠতে পারেননি তিনি। ফলে নেতৃত্বের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে মিচেল মার্শের (Mitchell Marsh) হাতে। আগামী ১৯ অক্টোবর থেকে শুরু তিন ম্যাচের সিরিজ।
কামিন্সের অনুপস্থিতিতে দলে ফিরেছেন পুরনো মুখ—কুইন্সল্যান্ডের ব্যাটার ম্যাথু রেনশ (Matthew Renshaw)। ২৯ বছর বয়সি এই ক্রিকেটার শেষবার অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে স্কোয়াডে ডাক পেয়েছিলেন ২০২২ সালে, পাকিস্তান সফরে। কিন্তু তখন একটিও ম্যাচে খেলার সুযোগ জোটেনি। তিন বছর বাদে ফের জায়গা পাওয়া মানে রেনশর সামনে একরকম ‘রিবুটে’র সুযোগ। এবার হয়তো আসন্ন সিরিজেই হতে পারে তাঁর ওয়ানডে অভিষেক (ODI debut)।
সাম্প্রতিক ঘরোয়া মরশুমে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন রেনশ। কুইন্সল্যান্ডের হয়ে গত বছর ৩৫০ রান করেছেন ৫০ গড় রেখে। শ্রীলঙ্কা ‘এ’-র (Sri Lanka A) বিরুদ্ধে খেলেছেন ৮০, ১০৬ ও ৬২ রানের ইনিংস—যা নির্বাচকদের নজর কাড়ে। কামিন্সের জায়গায় তাই ব্যাটিং লাইন-আপে রেনশকেই বেছে নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, অভিজ্ঞ মিচেল স্টার্ক (Mitchell Starc) ও জশ হ্যাজলউড (Josh Hazlewood) নেতৃত্ব দেবেন অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণকে। তাঁদের সঙ্গে থাকছেন তুলনায় অনভিজ্ঞ জেভিয়ার বার্টলেট (Xavier Bartlett) ও বেন ডুয়ারশুইস (Ben Dwarshuis)।
গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (Glenn Maxwell) অবশ্য থাকছেন না টি-টোয়েন্টি দলে (T20I squad)। হাতে অস্ত্রোপচারের কারণে বিশ্রামে তিনি। তাছাড়া অ্যালেক্স কেরি (Alex Carey) প্রথম ওয়ানডে-তে খেলবেন না—দেশের হয়ে শেফিল্ড শিল্ডে অংশ নেবেন ১৫ অক্টোবর, তারপর ফিরবেন বাকি ম্যাচে।
ভারত সিরিজের পরই শুরু হবে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। প্রথম দুই লড়াইয়ের জন্য ঘোষিত স্কোয়াডে রয়েছেন শন অ্যাবট (Sean Abbott), মার্কাস স্টয়নিস (Marcus Stoinis), অ্যাডাম জাম্পার (Adam Zampa) মতো তারকা।
সব মিলিয়ে কামিন্সের অনুপস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়া দল একরকম ‘ট্রানজিশন ফেজে’র মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। মিচেল মার্শের নেতৃত্বে (Mitchell Marsh Captaincy) নতুন-পুরনোর মেলবন্ধনে তৈরি হতে চলেছে টিম। প্রশ্ন একটাই—রেনশের প্রত্যাবর্তন কি সত্যিই কামিন্স-শূন্যতার ফাঁক পূরণ করতে পারবে?