মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা করেছেন আসিফ। তিনি ৫৮টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক এবং ২১টি ওয়ানডেতে পাকিস্তানের জার্সিতে প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

আসিফ আলি
শেষ আপডেট: 2 September 2025 18:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০২২ এশিয়া কাপে ভারতকে হারাতে অন্যতম ভূমিকা নিয়েছিলেন পাকিস্তানের ব্যাটার আসিফ আলি (Pakistan Batter Asif Ali)। ২০২২-র এশিয়া কাপে সুপার ফোরের ম্যাচে ভারত হেরেছিল পাকিস্তানের কাছে। এক বল বাকি থাকতে জিতেছিল পাকিস্তান। সেই ম্যাচে ৮ বলে ১৬ রান করেছিলেন আসিফ। সেই এশিয়া কাপের আগেই বাইশ গজকে বিদায় জানালেন তিনি। পাকিস্তানের এই মারকুটে মিডল-অর্ডার ব্যাটার অবশ্য বহুদিন ধরেই জাতীয় দলে ব্রাত্য। আসন্ন এশিয়া কাপ স্কোয়াডেও সুযোগ মেলেনি। তাই হতাশা থেকেই হয়তো এল এই অবসরের (Retirement) ঘোষণা।
মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা করেছেন আসিফ। তিনি ৫৮টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক এবং ২১টি ওয়ানডেতে পাকিস্তানের জার্সিতে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। প্রথম দিকে পাওয়ার হিটিংয়ের জন্য জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন এই ব্যাটার, কিন্তু এরপর স্ট্রাইক রেট নিয়ে প্রচুর কথা শুনতে হয়েছে আসিফকে।
পাকিস্তানের হয়ে আসিফের সেরা পারফরম্যান্স ছিল ২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের বিপক্ষে। সেই ম্যাচে মাত্র ৭ বলে ২৫ রান করে দলকে জয়ের পথে নিয়ে যান। আসিফ তাঁর শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিলেন ২০২৩ সালের এশিয়ান গেমসে।
মিডল-অর্ডার ব্যাটার আসিফ আলি ৫৮টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে ৫৭৭ রান করেছেন। তাঁর সেরা স্কোর অপরাজিত ৪১, যা তিনি ২০১৮ সালে জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে করেছিলেন। পাশাপাশিতিনি ২১টি ওয়ানডেতে ৩৮২ রান করেছেন। আসিফ তাঁর শেষ ওয়ানডে খেলেছিলেন ২০২২ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে।
আসিফ ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক করেন। মাত্র দুই মাস পরই ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেক হয় তাঁর। এ বছর ইসলামাবাদ ইউনাইটেডকে পিএসএল চ্যাম্পিয়ন করে তোলার পেছনে আসিফের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
অবসর ঘোষণা করে আসিফ তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন, “আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান হল পাকিস্তানের জার্সি পরা এবং ক্রিকেট মাঠে দেশের হয়ে খেলা। এগুলি ছিল আমার জন্য সবচেয়ে গর্বের অধ্যায়। আমার ভক্ত, সতীর্থ এবং কোচদের, দুঃসময়ে আমাকে সমর্থন করার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। আমার পরিবার এবং বন্ধুদেরও ধন্যবাদ জানাই, যাঁরা দুঃসময়ে আমার সঙ্গে ছিলেন। বিশ্বকাপ চলাকালীন আমার প্রিয় মেয়ের মৃত্যু হয়। এরপর আপনাদের শক্তি আমাকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে। আমি অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে অবসর নিচ্ছি এবং বিশ্বজুড়ে ঘরোয়া এবং লিগ ক্রিকেট খেলতে থাকব।”