মুল্লানপুর শ্রেয়সের জন্য কঠিন মঞ্চ হতে পারে। এখানে ৫ ম্যাচ মিলিয়ে মাত্র ২৭ রান করেছেন তিনি। পরিসংখ্যান বলছে, এই ভেন্যুতে এখনও নিজেকে মেলে ধরতে ব্যর্থ পাঞ্জাবের দলনেতা।

শ্রেয়স আইয়ার
শেষ আপডেট: 31 March 2026 18:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত আইপিএলের ফাইনালে আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে হেরে গিয়েছিল পাঞ্জাব কিংস। তারপর থেকে শ্রেয়স আইয়ার (Shreyas Iyer) একটিও টি-২০ ম্যাচ খেলেননি। ব্যবধান প্রায় এক বছরের। আজ মুল্লানপুরে গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে পাঞ্জাব কিংসের (Punjab Kings) ম্যাচে তিনি মাঠে নামবেন দলের অধিনায়ক হিসেবে। প্রশ্ন একটাই—এতদিন টি-২০ না খেলার জেরে ছন্দ ফিরে পেতে কতটা সময় লাগবে? তাতে গোটা দল কিছুটা হলেও চাপে পড়বে না কি?
রায়ডু বলছেন, ‘ভয় নেই’
প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার অম্বাতি রায়ডু (Ambati Rayudu) এই প্রশ্নের সরাসরি জবাব দিলেন। জানালেন, অন্য কেউ হলে চিন্তার কারণ থাকত। কিন্তু শ্রেয়স অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। রায়ডুর কথায়, ‘প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলেছেন। এই পর্যায়ের ক্রিকেটারের জন্য সবচেয়ে জরুরি মানসিক প্রস্তুতি—সেটা তাঁর আছে। আর অধিনায়কত্বের দায়িত্ব থাকলে নিজেকে প্রমাণ করার আলাদা তাড়না তৈরি হয়। সেটাই শ্রেয়সকে দ্রুত ছন্দে ফিরিয়ে আনবে!’
তবু মুল্লানপুর ভাবাচ্ছে
একটা জায়গায় রায়ডু খানিক থমকে গেলেন। সরাসরি স্বীকার করলেন—মুল্লানপুর শ্রেয়সের জন্য কঠিন মঞ্চ হতে পারে। এখানে ৫ ম্যাচ মিলিয়ে মাত্র ২৭ রান করেছেন তিনি। পরিসংখ্যান বলছে, এই ভেন্যুতে এখনও নিজেকে মেলে ধরতে ব্যর্থ পাঞ্জাবের দলনেতা। এই কারণে রায়ডুর মন্তব্য, ‘এখানে খেলা চ্যালেঞ্জ হতে পারে। কিন্তু অধিনায়কত্বের অতিরিক্ত প্রেরণা থাকলে সেটা সামলানো সম্ভব!’
তিন নম্বরেই নামুন—রায়ডুর পরামর্শ
ব্যাটিং অর্ডার নিয়েও মত দিলেন টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন তারকা। বক্তব্য—শ্রেয়সের আদর্শ জায়গা তিন নম্বর। কেন? কারণ একবার ছন্দে এলে তিনি ইনিংস ধরে রাখতে জানেন। পনেরো-ষোলো ওভার পর্যন্ত ব্যাট করে অন্যদের পথ দেখাতে, দলের বাকি ব্যাটারদের গাইড করতে পারেন। রায়ডুর আরও সংযোজন, পাঞ্জাবের কোচ রিকি পন্টিং নিজে যেহেতু ওয়ান ডাউনে ব্যাট করতেন, স্বাভাবিকভাবে তিনিও চাইবেন অধিনায়ক সেই ভূমিকায় খেলুন।
উল্লেখ্য, গত আইপিএলে শ্রেয়সের পারফরম্যান্স অসাধারণ—১৭ ম্যাচে ৬০৪ রান, গড় ৫০.৩৩, স্ট্রাইক রেট ১৭৫.০৭। ৬টি অর্ধশতরান, ৪৩টি চার ও ৩৯টি ছক্কা। পাঞ্জাবকে ফাইনালে নিয়ে যান। এবার স্বপ্নভঙ্গের যন্ত্রণা ভুলে শিরোপা ঘরে আনাই লক্ষ্য। তার সূচনা হতে চলেছে আজই।