সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ছুড়ে দেওয়া ১৫৭ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে লখনউকে ম্যাচে চালকের আসনে বসালেন এডেন মার্করাম। ঋষভ পন্থর সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন জয়ের দিকে। বিস্তারিত পড়ুন।

মার্করাম
শেষ আপডেট: 5 April 2026 18:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুরুটা মন্থর, কিন্তু খুব তাড়াতাড়িই গিয়ার বদলে ফেলল লখনউ সুপার জায়ান্টস (Lucknow Super Giants)। ১৫৭ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে পয়লা ওভার সামলে পালটা আক্রমণে হাফসেঞ্চুরির পথে এডেন মার্করাম (Aiden Markram)। অন্যদিকে, ওপেনে নামা মিচেল মার্শ (Mitchell Marsh) আগ্রাসন দেখিয়েও বড় স্কোর করতে ব্যর্থ। মাঠে অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। যা পরিস্থিতি, তাতে পাওয়ারপ্লের মধ্যে ম্যাচের সুতো অনেকটাই নিজেদের দিকে টেনে নিয়েছে লখনউ।
রান চেজের শুরুতে কিছুটা সতর্ক ছিল লখনউ। প্রথম ওভারে আসে মাত্র ২ রান। কিন্তু দ্বিতীয় ওভার থেকেই ছবি বদলে যায়। নীতীশ কুমার রেড্ডির (Nitish Kumar Reddy) ওভারে ১৪ রান ছিনিয়ে নেন দুই ওপেনার। মার্করাম বুঝিয়ে দেন—তিনি থামার পাত্র নন। যে কারণে বোলার বদলও কাজে দেয়নি। হর্ষ দুবের (Harsh Dubey) ডেলিভারিতেও আসে বাউন্ডারি। জয়দেব উনাদকটের (Jaydev Unadkat) বিরুদ্ধে বিশাল ছক্কা। ৬ ওভারের মধ্যে ৫০ পেরিয়ে যায় দল। স্ট্রাইক রেট বাড়িয়ে ম্যাচের চাপ ঝেরে ফেলেছেন মার্করাম। নিয়ন্ত্রণ ইতিমধ্যে প্রোটিয়া ব্যাটারের হাতে।
তবে লখনউ ইনিংস পুরোপুরি নির্বিঘ্ন ছিল না। ঈশান মালিঙ্গার (Eshan Malinga) বলে আউট হন মার্শ (১৪)। ডিপ স্কোয়ার লেগে ক্যাচ নেন নীতীশ। সেই সময় স্কোর ৩৭/১। যদিও উইকেট পতনেও বড় ধাক্কা নয়—কারণ সেট হওয়া মার্করাম এখনও ক্রিজে।
আজ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অধিনায়ক ঋষভ পন্থ (Rishabh Pant)। নিজে ওপেনে না নেমে মার্করামকে ওপেন করতে পাঠান। কৌশল কাজে দিয়েছে। পন্থ ওয়ান ডাউনে নেমে ইনিংস গোছানোর দায়িত্বে।
এর আগে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ (Sunrisers Hyderabad) প্রথম ইনিংসে দারুণ কামব্যাক করে। ৩৫/৪ থেকে ১৫৬/৯—ক্লাসেন (Heinrich Klaasen) ও নীতীশের জুটিতে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন। কিন্তু তাকে ফলপ্রসূ করতে গেলে শুরুতেই উইকেট দরকার। একটা সফলতা জুটলেও লখনউয়ের রান তোলার গতি আটকানো যাচ্ছে না। বল থেমে থেমে আসছে, পিচ ব্যাটিং সহায়ক—তবু মার্করামের দাপট জুজু মুছে দিয়েছে।
এখন সমীকরণ সহজ। ৬৯ বলে দরকার ৮৪ রান। হাতে ৯ উইকেট। এই পরিস্থিতিতে রাশ লখনউয়ের হাতে। তবে টি-২০ ক্রিকেটে এক-দুটি উইকেট ছবি বদলে দিতে পারে। তাই হায়দরাবাদের আসল টার্গেট আপাতত পার্টনারশিপ ভাঙা।