‘দ্য এজে’র প্রতিবেদনের মোদ্দা বক্তব্য, ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের অবস্থান আইসিসিকে বিকল্প পরিকল্পনা ভাবতে বাধ্য করছে। ভবিষ্যৎ বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট যাতে রাজনৈতিক অচলাবস্থার শিকার না হয়, সে জন্য ‘কনটিনজেন্সি প্ল্যান’ তৈরি হচ্ছে।

ভারত বনাম পাকিস্তান
শেষ আপডেট: 17 February 2026 18:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারত-পাকিস্তান (India vs Pakistan) ঝুটঝামেলার প্রভাব এবার পড়তে পারে আইসিসি টুর্নামেন্টের ভবিষ্যৎ সূচিতে। অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম ‘দ্য এজে’র (The Age) এক প্রতিবেদনে দাবি, চলমান ভূ-রাজনৈতিক টানাপড়েনের কারণে ২০২৯ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (Champions Trophy 2029) এবং ২০৩১ একদিনের বিশ্বকাপ (ODI World Cup 2031) ভারত থেকে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে আইসিসি (ICC)।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারত ও পাকিস্তান পরস্পরের দেশে খেলতে অস্বীকার করায় বড় টুর্নামেন্ট আয়োজনের ক্ষেত্রে লজিস্টিক সমস্যা তৈরি হচ্ছে। সেই কারণেই বিকল্প আয়োজক খোঁজা। সম্ভাব্য গন্তব্য হিসেবে উঠে আসছে অস্ট্রেলিয়ার (Australia) নাম। যাদের ২০১৫ সালে একদিনের বিশ্বকাপ এবং ২০২২ সালে টি-২০ বিশ্বকাপ আয়োজনের অভিজ্ঞতাও রয়েছে।
পুরনো চুক্তি, নতুন জট
ভারত ও পাকিস্তান আগেই আইসিসির সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছেছিল—দুই দেশ একে অপরের মাটিতে বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট খেলবে না। ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে (Champions Trophy 2025) পাকিস্তানে যেতে অস্বীকার করে টিম ইন্ডিয়া (India)। সেই সূত্রেই ‘হাইব্রিড মডেল’ তৈরি। চুক্তিটি ২০২৭ পর্যন্ত কার্যকর থাকার কথা থাকলেও, তা ভবিষ্যৎ টুর্নামেন্ট পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে ইঙ্গিত মিলছে।
এরই মধ্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বাংলাদেশ (Bangladesh)। ২০২৬ টি-২০ বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) ভারতে খেলতে অস্বীকার করে সরে দাঁড়ায় তারা। আইসিসি (ICC) শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ সরাতে রাজি না হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়।
সম্পর্কের টানাপড়েন, ক্রিকেটে প্রভাব
পহেলগাম হামলার (Pahalgam attack) পর দুই দেশের সম্পর্ক আরও সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। এশিয়া কাপ (Asia Cup 2025) ও সাম্প্রতিক টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতীয় দল পাকিস্তানের সঙ্গে করমর্দন এড়িয়ে যায়। মাঠের বাইরের উত্তেজনা মাঠেও ছাপ ফেলেছে—এমনটাই মত বিশ্লেষকদের একাংশের। ‘দ্য এজে’র (The Age) প্রতিবেদনের মোদ্দা বক্তব্য, ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের অবস্থান আইসিসিকে বিকল্প পরিকল্পনা ভাবতে বাধ্য করছে। ভবিষ্যৎ বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট যাতে রাজনৈতিক অচলাবস্থার শিকার না হয়, সে জন্য ‘কনটিনজেন্সি প্ল্যান’ তৈরি হচ্ছে।