বোম্বে হাইকোর্ট কোচি টাস্কার্স কেরলের মালিকদের পক্ষে ৫৩৮ কোটি টাকার বেশি সালিসি রায় নিশ্চিত করেছে। কোচি টাস্কার্স ফ্র্যাঞ্চাইজিটি এখন আর নেই। এটি ২০১১ সালের পর বিলুপ্ত হয়ে যায়।

বিসিসিআই-বোম্বে হাইকোর্ট-কোচি টাস্কার্স
শেষ আপডেট: 18 June 2025 15:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মঙ্গলবার বোম্বে হাইকোর্টে বড় ধাক্কা খেয়েছে বিসিসিআই (BCCI)। এর জেরে ভারতীয় ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার ক্ষতি হতে পারে ৫০০ কোটি টাকা (Rs 500 Crore Loss)।
বোম্বে হাইকোর্ট ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (IPL) ফ্র্যাঞ্চাইজি কোচি টাস্কার্স (Kochi Taskars) কেরলের (BCCI vs Kochi Cricket Pvt. Ltd. and others) মালিকদের পক্ষে ৫৩৮ কোটি টাকার বেশি সালিসি রায় নিশ্চিত করেছে। কোচি টাস্কার্স ফ্র্যাঞ্চাইজিটি এখন আর নেই। এটি ২০১১ সালের পর বিলুপ্ত হয়ে যায়। এর পরে, ফ্র্যাঞ্চাইজিটি বোম্বে হাইকোর্টে বোর্ডের বিরুদ্ধে সালিসি মামলা দায়ের করে।
বিচারপতি আর আই চাগলা, একক বিচারক হিসাবে সভাপতিত্ব করেন এই মামলার। তিনি সালিসি রায়ের বিরুদ্ধে বিসিসিআইয়ের চ্যালেঞ্জ খারিজ করে দেন। বিচারপতি চাগলা রায় দেন যে, আদালত সালিসিকারীর সিদ্ধান্তের উপর আপিল কর্তৃপক্ষ হিসাবে কাজ করতে পারে না।
মামলার রায় দিতে গিয়ে বিচারপতি চাগলা বলেন, "সালিসি আইনের ধারা ৩৪-এর অধীনে এই আদালতের এখতিয়ার খুবই সীমিত। বিসিসিআই-এর বিরোধের যোগ্যতা পরীক্ষা করার প্রচেষ্টা আইনের ধারা ৩৪-এ থাকা ভিত্তির পরিধির পরিপন্থী। প্রমাণ অথবা যোগ্যতার উপর প্রাপ্ত ফলাফলের প্রতি বিসিসিআই-এর অসন্তুষ্টি এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করার কারণ হতে পারে না।"
কোচি টাস্কার্স কেরালা ২০১১ সালে আইপিএলে অভিষেক করে। ফ্র্যাঞ্চাইজির যাত্রা মাত্র এক বছর স্থায়ী হয়েছিল। রেন্ডেজভাস স্পোর্টস ওয়ার্ল্ড (RSW) ১৫৫০ কোটি টাকায় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি অধিগ্রহণ করে। পরে এটি কোচি ক্রিকেট প্রাইভেট লিমিটেড (KCPL) দ্বারা পরিচালিত হয়। বিসিসিআই ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি বাতিল করে। সেই সময় বোর্ড ফ্র্যাঞ্চাইজি চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছিল কোচির বিরুদ্ধে।
২০১১ সালের আইপিএলে কোচির পারফরম্যান্সের কথা বলতে গেলে, ফ্র্যাঞ্চাইজিটি তার প্রথম ও একমাত্র মরশুমে ১৪টি ম্যাচ খেলে ৬টিতে জিতেছিল। ৮টিতে তারা পরাজিত হয়। ১২ পয়েন্ট এবং -০.২১৪ নেট রান রেট নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি পয়েন্ট টেবিলে অষ্টম স্থানে ছিল।