মাত্র ১১৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকে চনমনে বাংলাদেশ। তানজিদ হাসান ও সাইফ হাসান—দুজনেই মেরে খেলছেন।

পাকিস্তান বনাম বাংলাদেশ
শেষ আপডেট: 11 March 2026 17:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: টি-২০ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালের মুখ দেখেনি পাকিস্তান। সেই হতাশা সরিয়ে ওয়ানডে সিরিজে নতুন করে শুরুর স্বপ্ন নিয়ে মীরপুরে এসেছিল শাহিন আফ্রিদির (Shaheen Afridi) দল। কিন্তু প্রথম ম্যাচেই জোর হোঁচট! নাহিদ রানার বিধ্বংসী বোলিংয়ে মাত্র ১১৪ রানে গুটিয়ে গেল পুরো দল। জবাবে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশ জয়ের পথে এগিয়ে চলেছে।
নাহিদের দাপট, পাকিস্তানের ধস
টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ (Mehidy Hasan Miraz)। শুরুটা মন্দ ছিল না পাকিস্তানের। দুই ওপেনার— সাহিবজাদা ফারহান ও মাজ সাদাকাত—পাওয়ারপ্লেতে চারের পর চার হাঁকান। ৬ ওভারে ২৪ রান, বিনা উইকেটে।
কিন্তু ঠিক তখনই জ্বলে ওঠেন নাহিদ রানা (Nahid Rana)। আর পাল্টে যায় গোটা ছবি। ফারহান স্ল্যাশ করতে গিয়ে পয়েন্টে ধরা পড়লেন—২৭ রানে। সেই শুরু। পরের ৪ ওভারে পাকিস্তান হারাল আরও তিন উইকেট। মহম্মদ রিজওয়ানও ফিরলেন দ্রুত। ১৫ ওভারে স্কোর ৬৪/৪— ড্রেসিংরুমে আচমকাই থমথমে ভাব।
সেখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হয়নি। ব্যর্থ সলমন আঘাও। তাঁর উইকেট নিলেন নাহিদ—শর্ট লেগে অসাধারণ ক্যাচ। মাত্র ২৯ বলে পাঁচ উইকেট! ওয়ানডে কেরিয়ারের প্রথম ‘ফাইফার’ নাহিদের। লোয়ার অর্ডারের ব্যাটাররা ফিরলেন এক অঙ্কের রানে। তাসকিন আহমেদও শেষের দিকে এক উইকেট তুলে নিলেন। সব মিলিয়ে ৩০.৪ ওভারে মাত্র ১১৪ রানেই বান্ডিল টিম পাকিস্তান।
নতুন দল, পুরনো রোগ
এই সিরিজে বেশ কিছু বড় পরিবর্তন এনেছে পাক বাহিনী। বাবর আজম, সাইম আইয়ুব, নাসিম শাহ—তিনজনকেই ছাঁটাই করা হয়েছে স্কোয়াড থেকে। বদলে ছয় নতুন মুখ। যাঁদের কেউই চাপ সামলাতে পারেননি। মিডল অর্ডার ভেঙে পড়ে দ্রুত। দল বদলের পরেও ব্যাটিং ব্যর্থতার পুরনো রোগ কাটল না।
জয়ের দরজায় বাংলাদেশ
মাত্র ১১৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকে চনমনে বাংলাদেশ। তানজিদ হাসান ও সাইফ হাসান—দুজনেই মেরে খেলছেন। পাকিস্তানের বোলাররা হুল ফোটাতে ব্যর্থ। শাহিন ও ফাহিম আশরাফ বল করলেও রান আটকানো যাচ্ছে না। ২৮৭ বলে মাত্র ৮৮ রান দরকার—জয় এখন সময়ের অপেক্ষা।