Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

NZ vs SA: ৩৩ বলে ৭৫! এস্টারহুইজেনের ঝড়ে উড়ল নিউজিল্যান্ড, সিরিজ দক্ষিণ আফ্রিকার

একটা জমজমাট সফরের সমাপ্তি ঘটল। প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ড ৯১ রানে শেষ, দ্বিতীয়টায় দক্ষিণ আফ্রিকা ১০৭-এ। একসময় পিছিয়ে থেকেও শেষ দুটো লড়াই জিতে ট্রফি নিজেদের করে নিল টিম প্রোটিয়া।

NZ vs SA: ৩৩ বলে ৭৫! এস্টারহুইজেনের ঝড়ে উড়ল নিউজিল্যান্ড, সিরিজ দক্ষিণ আফ্রিকার

কনর এস্টারহুইজেন

রূপক মিশ্র

শেষ আপডেট: 25 March 2026 18:11

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ক্রাইস্টচার্চে পঞ্চম টি-২০-তে নিউজিল্যান্ডকে (New Zealand) ৩৩ রানে হারিয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ ৩-২ ব্যবধানে জিতে নিল দক্ষিণ আফ্রিকা (South Africa)। নায়ক কনর এস্টারহুইজেন (Connor Esterhuizen)। মাত্র ৩৩ বলে ৭৫ রান—কেরিয়ারের সেরা ইনিংস। তাঁর ব্যাটে ভর করেই দক্ষিণ আফ্রিকা পৌঁছল ১৮৭-তে। জবাবে নিউজিল্যান্ড ১৫৪ তুলেই গুটিয়ে গেল।

এস্টারহুইজেনের ঝড়ো ইনিংস

কিউয়িরা টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাটে পাঠায়। শুরুটা মন্থর। পাওয়ার প্লে-তে ওঠে মাত্র ৪৩ রান। দশ ওভারে ৭৬। কিন্তু এরপরই ঘুরে যায় মোড়। ১১ নম্বর ওভারে ক্রিজে আসেন এস্টারহুইজেন। রুবিন হেরমান (Rubin Hermann) আগে থেকেই ছিলেন। করেন ৩১ বলে ৩৯ রান। দুজনে মিলে খেলার গতি বদলে দেন। শেষ ১০ ওভারে আসে ১১১ রান। এস্টারহুইজেন একাই মারলেন পাঁচটি চার ও ছটি ছয়।

মাঝে একটু রোমাঞ্চ জমেছিল বটে। ৪৯ রানে থাকতে ক্যাচ ফস্কান বেভন জ্যাকবস (Bevon Jacobs)। সেই ভুলের ফায়দা নেন এস্টারহুইজেন। শেষ ওভার পর্যন্ত খেলে স্কোরকার্ড টেনে তোলেন ১৮৭-তে। টিমকে ম্যাচ জিতিয়ে দৃশ্যত খুশি। বললেন, ‘উপরের ব্যাটাররা ভাল প্ল্যাটফর্ম বানিয়ে দিয়েছিল। তার সুযোগ নিলাম। শুরুতে ১৬০ টার্গেট উঠবে বলে মনে হচ্ছিল। পরে ১৭০। শেষমেশ ১৮৭ হয়ে গেল!’

বোলাররাও ছন্দে

১৮৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে নিউজিল্যান্ড। পাওয়ার প্লে-তে ৪৬ রানে ২ উইকেট। দশ ওভারে ৬৫-৩। সেখান থেকে লড়াইয়ে ফেরার কোনও পথ ছিল না। কোয়েৎজে (Gerald Coetzee) দুই প্রান্ত থেকে গতিতে বিপক্ষকে কাবু করলেন—৪ ওভারে ২১ রানে ২ উইকেট। বার্টম্যানও (Ottneil Baartman) নিলেন ২ উইকেট, দিলেন ৩৩ রান। স্পিনার প্রেনেলান সুব্রায়েন (Prenelan Subrayen) ৪ ওভারে মাত্র ২২ রান খরচ করে কিউয়ি ব্যাটারদের বেঁধে রাখেন। অধিনায়ক কেশব মহারাজও (Keshav Maharaj) যোগ্য সঙ্গত দেন। নিউজিল্যান্ডের হয়ে একমাত্র জ্যাকবস (Bevon Jacobs) লড়াই চালান—১৯ বলে ৩৬। কিন্তু শেষ দুই ওভারে দরকার ছিল ৪৭। যা কার্যত অসম্ভব, কিউয়িরা তুলতেও পারেনি!

কোচ শুকরি কনরাডের (Shukri Conrad) অধীনে এটা বিদেশের মাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম টি-২০ সিরিজ জয়। পরপর দুটো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ ছিনিয়ে নিল প্রোটিয়ারা। একটা জমজমাট সফরের সমাপ্তি ঘটল। প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ড ৯১ রানে শেষ, দ্বিতীয়টায় দক্ষিণ আফ্রিকা ১০৭-এ। একসময় পিছিয়ে থেকেও শেষ দুটো লড়াই জিতে ট্রফি নিজেদের করে নিল টিম প্রোটিয়া।


```