বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জাতীয় নাগরিক পার্টি তাদের বিপ্লবী আন্দোলনের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করার পরিকল্পনা করেছিল। তাদের সভা করতে বাধা দেওয়া হয়েছে।
.jpeg.webp)
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 16 July 2025 22:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধবার বাংলাদেশের গোপালগঞ্জে সেনাবাহিনীর (Gopalganj killing by Bangladesh army) গুলিতে সাত ছাত্র লিগ ও আওয়ামী লিগ কর্মীর মৃত্যুর (seven Awami League supporters killed in indiscriminate firing by army) ঘটনা নিয়ে বিবৃতি দিল মহম্মদ ইউনুসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বুধবার গোপালগঞ্জে সংঘটিত সহিংসতা সম্পূর্ণরূপে অগ্রহণযোগ্য। যদিও বিবৃতিতে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে মারা যাওয়ার বিষয়ে একটি শব্দও উচ্চারণ করা হয়নি। দুঃখ প্রকাশ তো দূরের কথা।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জাতীয় নাগরিক পার্টি তাদের বিপ্লবী আন্দোলনের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করার পরিকল্পনা করেছিল। তাদের সভা করতে বাধা দেওয়া হয়েছে। এরফলে এনসিপির নেতা কর্মীদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন হয়েছে এবং তা অত্যন্ত লজ্জাজনক।
ইউনুস সরকারের বক্তব্য, ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি)-এর সদস্য, পুলিশ ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা নির্মম হামলার শিকার হয়েছেন। তাদের গাড়ি ভাঙচুর এবং ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করা হয়েছে।
এই জঘন্য কাজ—যা নিষিদ্ধ আওয়ামী লিগের ছাত্রলিগ এবং আওয়ামী লিগপন্থী লোকজন করেছে। যা কোনওভাবেই প্রশ্রয় পাবে না।
সরকার জানিয়েছে, দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনা হবে। বাংলাদেশের কোনও নাগরিকের বিরুদ্ধে এমন সহিংসতার কোনও স্থান নেই।
আমরা সেনাবাহিনী ও পুলিশকে তাদের দ্রুত হস্তক্ষেপের জন্য ধন্যবাদ জানাই এবং যেসব ছাত্রছাত্রী ও জনগণ হুমকির মুখেও সমাবেশ চালিয়ে গেছেন, তাদের সাহস ও দৃঢ়তার প্রশংসা করি।
ইউনুস সরকার জানিয়েছে, এই নৃশংসতার জন্য যারা দায়ী, তারা বিচার থেকে রেহাই পাবে না। এটি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হল: আমাদের দেশে সহিংসতার কোনও স্থান নেই। বিচার হতেই হবে এবং তা নিশ্চিতভাবেই হবে।