১৬ জুলাইকে গোপালগঞ্জ গণহত্যা দিবস হিসাবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লিগ।

সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান ও শেখ হাসিনা
শেষ আপডেট: 16 July 2025 18:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলাদেশের গোপালগঞ্জে বুধবারের সংঘর্ষে আওয়ামী লিগের এখনও পর্যন্ত সাতজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন বলে দলের তরফে দাবি করা হয়েছে। তারা জানিয়েছে, আরও অন্তত ৫০ জন গুলিবিদ্ধ। তাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
১৬ জুলাইকে গোপালগঞ্জ গণহত্যা দিবস হিসাবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লিগ।
এদিকে, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন বুধবার রাত আটটা থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গোপালগঞ্জে কার্ফু জারি করা হয়েছে। মনে।করা হচ্ছে আওয়ামী লিগের নেতা কর্মীদের ব্যাপক ধরপাকড় করা হবে। তারা যাতে এলাকা ছাড়তে না পারে সে জন্যই কার্ফু জারি করে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হল। বুধবার দুপুরে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছিল।
এদিকে, সাত কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামানকে অপরাধী মনে করছে আওয়ামী লিগ। গোলমাল চলার সময় সেনা ছিল পুলিশের তুলনায় বেশি সক্রিয়। দেহ লক্ষ্য করে গুলি করে সেনা জওয়ানেরা।
গত বছর গণ অভ্যুত্থানের সময় সেনার ভূমিকা ছিল ভিন্ন। যে কোনও অবস্থাতেই তারা দেশবাসীর পাশে থাকবেন বলে ঘোষণা করেছিলেন সেনা প্রধান ওয়াকার উজ জামান।
বুধবার গোপালগঞ্জে দেখা গিয়েছে উল্টো চিত্র। সেনা বাহিনী অতি তৎপর হয়ে গুলি চালায়। এক অফিসারকে বলতে শোনা যায় বিক্ষোভকারীদের দেহ লক্ষ্য করে গুলি করতে।
সেনাবাহিনীর ভূমিকায় আওয়ামী লিগ যখন ক্ষুব্ধ তখন ভিন্ন সুর শোনা গিয়েছে এনসিপি নেতা সারজিস আলমের কণ্ঠে। তাঁর অভিযোগ, পুলিশ আওয়ামী লিগ সমর্থকদের সহায়তা করেছে।