বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরিক ওসমান হাদির হত্যা মামলায় আর এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। ধৃতের নাম ফিলিপ সাংমা। নদিয়ার শান্তিপুরের বাইপাস সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানানো হয়েছে। সাংমাকেও গ্রেফতার করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স।

শেষ আপডেট: 14 March 2026 20:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরিক ওসমান হাদির হত্যা মামলায় আর এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। ধৃতের নাম ফিলিপ সাংমা। নদিয়ার শান্তিপুরের বাইপাস সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানানো হয়েছে। সাংমাকেও গ্রেফতার করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স।
সপ্তাহ খানেক আগে হাদির দুই হত্যাকারীকেও গ্রেফতার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেন নামে ধৃতরা স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের হেফাজতে রয়েছে।
বাংলাদেশ সরকার ধৃতদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের হেফাজতে চেয়েছে। হেফাজতে ধৃতদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য কলকাতার বাংলাদেশ উপ দূতাবাসের তরফে কনস্যুলার এক্সেস চাওয়া হয়েছে। বাংলা কলকাতায় বাংলাদেশের উপ হাইকমিশন অফিস ফিলিপ সাংমার সঙ্গে যোগাযোগের জন্যও কনস্যুলার এক্সেস চেয়েছে। সাংমার গ্রেফতারের বিষয়টি বাংলাদেশ উপ হাই কমিশনকে জানিয়েছে কলকাতা পুলিশ।

শরিক ওসমান হাদির হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও তদন্তকে বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। ভারতও ওই তদন্তের বিষয়ে সমান আগ্রহী। কারণ বাংলাদেশে নির্বাচনের মুখে ওই হত্যাকাণ্ডের জন্য ভারতের দিকে আঙুল তোলার চেষ্টা হয়েছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে নতুন তৈরি একটি দলের লোকজন ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল। নির্বাচন বানচালের উদ্দেশে জনপ্রিয় তরুণ নেতা হাদিকে হত্যা করা হয়েছিল।

নির্বাচনের দিন কয়েক আগে ঢাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ঢাকা-৮ আসন থেকে তাঁর প্রার্থী হওয়ার কথা ছিল। মনোনয়ন পত্র পেশ করার আগেই তাঁকে হত্যা করা হয়।
হাদির হত্যাকারীদের ভারতে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা ফিলিপ সাংমা বাংলাদেশি নাগরিক বলে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ জানিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ আরও জানিয়েছে, হাদির হত্যাকারীরা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ঢুকেছিল। পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত দিয়ে তারা বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছিল।