২০২৪ সালে আওয়ামী লিগ আমলের শেষ নির্বাচন বিএনপি সহ বিরোধীরা বয়কট করেছিল। তারপরও সেই নির্বাচনে ৫৭১ জন ছিলেন কোটিপতি প্রার্থী।

শেষ আপডেট: 12 January 2026 15:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলাদেশে জাতীয় সংসদের (Bangladesh Parliament) ৩০০ আসনের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ১৮৪২ জন। অর্থাৎ কেন্দ্র পিছু প্রার্থী সংখ্যা গড়ে ছয় জন। যা মোটেই খুব বেশি নয় বলে ওয়াকিবহালমহল মনে করছে।
তবে প্রার্থীদের পরিচয় নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। ১৮৪২ জন প্রার্থীর ৪৪ শতাংশ বা ৮১৪ জন হলেন পেশায় ব্যবসায়ী। তাঁদের মধ্যে ১৯৪ জন লড়াই করছেন বিএনপি'র টিকিটে (BNP)। তারেক জিয়ার (Tarek Zia) পার্টিই সবচেয়ে বেশি ব্যবসায়ীকে মনোনয়ন দিয়েছে। এই ব্যাপারে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জামায়াতে ইসলামী। তাদের ব্যবসায়ী প্রার্থীর সংখ্যা ৯৬।
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে ব্যবসায়ী প্রার্থীরাই শুধু নন, অর্ধেকের বেশি প্রার্থী কোটিপতি। কেউ কেউ হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক। ব্যবসায়ী প্রার্থীরা সকলেই কোটিপতি। তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো পূর্ণ সময় রাজনীতি করেন বা পেশাদার রাজনীতিক প্রার্থী এবারের নির্বাচনে মাত্র ২৬ জন। মনোনয়নপত্রে তারা পেশা হিসেবে 'রাজনীতি' উল্লেখ করেছেন। পেশার মানদণ্ডে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে আছে যথাক্রমে শিক্ষক ও আইনজীবীরা। এনসিপি-সহ একাধিক দল রয়েছে যাদের একজনও প্রার্থী পূর্ণ সময়ের রাজনীতিক নন।
নির্বাচনকে হাতিয়ার করে বাংলাদেশ সংসদ এবং সরকারে ব্যবসায়ীদের আধিপত্য নিয়ে নানা সময়ে উদ্বেগ উৎকণ্ঠ প্রকাশ করা হলেও এই ধারা অব্যাহত। ২০২৪ সালে আওয়ামী লিগ আমলের শেষ নির্বাচন বিএনপি সহ বিরোধীরা বয়কট করেছিল।তারপরও সেই নির্বাচনে ৫৭১ জন ছিলেন কোটিপতি প্রার্থী। বলাই বাহুল্য তাদের প্রায় শতভাগ ছিলেন আওয়ামী লিগের টিকিটধারী। এবার পূর্ণ সময় রাজনীতি করা প্রার্থী ছিলেন মাত্র ২.৮৬ শতাংশ।