Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতার

বাংলাদেশের ১৮৪২ প্রার্থীর মধ্যে পেশাদার রাজনীতিক মাত্র ২৬ জন, লড়াইয়ে ৮১৪ কোটিপতি ব্যবসায়ী

২০২৪ সালে আওয়ামী লিগ আমলের শেষ নির্বাচন বিএনপি সহ বিরোধীরা বয়কট করেছিল। তারপরও সেই নির্বাচনে ৫৭১ জন ছিলেন কোটিপতি প্রার্থী। 

বাংলাদেশের ১৮৪২ প্রার্থীর মধ্যে পেশাদার রাজনীতিক মাত্র ২৬ জন, লড়াইয়ে ৮১৪ কোটিপতি ব্যবসায়ী

শেষ আপডেট: 12 January 2026 15:02

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলাদেশে জাতীয় সংসদের (Bangladesh Parliament) ৩০০ আসনের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ১৮৪২ জন। অর্থাৎ কেন্দ্র পিছু প্রার্থী সংখ্যা গড়ে ছয় জন। যা মোটেই খুব বেশি নয় বলে ওয়াকিবহালমহল মনে করছে।

তবে প্রার্থীদের পরিচয় নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। ১৮৪২ জন প্রার্থীর ৪৪ শতাংশ বা ৮১৪ জন হলেন পেশায় ব্যবসায়ী। ‌তাঁদের মধ্যে ১৯৪ জন লড়াই করছেন বিএনপি'র টিকিটে (BNP)। তারেক জিয়ার (Tarek Zia) পার্টিই সবচেয়ে বেশি ব্যবসায়ীকে‌ মনোনয়ন দিয়েছে। এই ব্যাপারে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জামায়াতে ইসলামী। ‌তাদের ব্যবসায়ী প্রার্থীর সংখ্যা ৯৬।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে ব্যবসায়ী প্রার্থীরাই শুধু নন, অর্ধেকের বেশি প্রার্থী কোটিপতি। কেউ কেউ হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক। ‌ব্যবসায়ী প্রার্থীরা সকলেই কোটিপতি। তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো পূর্ণ সময় রাজনীতি করেন বা পেশাদার রাজনীতিক প্রার্থী এবারের নির্বাচনে মাত্র ২৬ জন। ‌ মনোনয়নপত্রে তারা পেশা হিসেবে 'রাজনীতি' উল্লেখ করেছেন। পেশার মানদণ্ডে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে আছে যথাক্রমে শিক্ষক ও ‌ আইনজীবীরা। এনসিপি-সহ একাধিক দল রয়েছে যাদের একজনও প্রার্থী পূর্ণ সময়ের রাজনীতিক নন।

নির্বাচনকে হাতিয়ার করে বাংলাদেশ সংসদ এবং সরকারে ব্যবসায়ীদের আধিপত্য নিয়ে নানা সময়ে উদ্বেগ উৎকণ্ঠ প্রকাশ করা হলেও এই ধারা অব্যাহত। ২০২৪ সালে আওয়ামী লিগ আমলের শেষ নির্বাচন বিএনপি সহ বিরোধীরা বয়কট করেছিল।তারপরও সেই নির্বাচনে ৫৭১ জন ছিলেন কোটিপতি প্রার্থী। বলাই বাহুল্য তাদের প্রায় শতভাগ ছিলেন আওয়ামী লিগের‌ টিকিটধারী। ‌এবার পূর্ণ সময় রাজনীতি করা প্রার্থী ছিলেন মাত্র ২.৮৬ শতাংশ।


```