বাংলাদেশের(Bangladesh) নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠার পর থেকে গোটা দেশেই অল্প অল্প করে পার্টি অফিস খুলতে শুরু করেছে। কোথাও বিএনপি(BNP) নেতারা নিজেরাই উদ্যোগ নিয়ে পার্টি অফিস খুলতে সহায়তা করেছেন। কোথাও বিএনপির তরফে বাধা যাওয়ার ঘটনা আছে।

শেষ আপডেট: 25 February 2026 18:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলাদেশের(Bangladesh) নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠার পর থেকে গোটা দেশেই অল্প অল্প করে পার্টি অফিস খুলতে শুরু করেছে। কোথাও বিএনপি(BNP) নেতারা নিজেরাই উদ্যোগ নিয়ে পার্টি অফিস খুলতে সহায়তা করেছেন। কোথাও বিএনপির তরফে বাধা যাওয়ার ঘটনা আছে।
এর পাশাপাশি আওয়ামী লিগের(Awami League) সাধারণ নেতা-কর্মীরা অনেকেই জামিন পাচ্ছেন। হাসিনার দলের বরিশাল জেলার সভাপতি দীর্ঘদিন অন্তরালে থাকার পর গত সোমবার স্থানীয় আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। বিচারক তাঁকে জামিন দেন।

কিন্তু সরকার ও শাসক দলে এই ব্যাপারে এখনও সহমত তৈরি হয়নি। পুলিশ প্রশাসন এবং নিম্ন আদালতের বিচারকেরা কারাবন্দি আওয়ামী লিগ নেতাদের জামিন দেওয়া নিয়ে সংশয়ের মধ্যে আছেন।
এরই মধ্যে রাজশাহী পুলিশের একটি নির্দেশিকা ঘিরে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশের রাজশাহী ডিভিশনের ডিআইজি মহম্মদ শাজাহান এক নির্দেশিকা জারি করে বলেছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ/স্থগিত ফ্যাসিস্ট ও তাদের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা জামিন পাওয়ার পর ফের দলকে শক্তিশালী করা এবং কার্যক্রম গ্রহণের চেষ্টা করলে তাদের 'শোন অ্যারেস্ট' দেখিয়ে ফের কারাগারে পাঠাতে হবে। তাদের অন্য মামলাতেও গ্রেফতার দেখানো যেতে পারে।
বিজ্ঞপ্তিতে নির্দিষ্ট করে বলে দেওয়া হয়েছে, যারা পার্টিকে শক্তিশালী করার কাজে যুক্ত হবেন না, তাদের গ্রেফতার করার প্রয়োজন নেই।
প্রশাসনিক সূত্রের খবর, বাংলাদেশ পুলিশের সদর দপ্তর থেকেই এই ব্যাপারে মৌখিকভাবে নির্দেশনা সব জেলাকে দেওয়া হয়েছে। রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি নির্দেশিকা উল্লেখ করেছেন, গ্রুপ মেসেজে এ ব্যাপারে আগেই নির্দিশিকা দেওয়া হয়েছে।
আওয়ামী লিগ বলছে, এই নির্দেশিকা এক ধরনের প্রাক শর্ত। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তাদের কয়েক হাজার নেতা কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বেশিরভাগকেই দিনের পর দিন জামিন দেওয়া হচ্ছে না। কারাবন্দিদের মধ্যে কয়জন বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা, কবি সাহিত্যিক, চলচ্চিত্রকার এবং সাংবাদিক রয়েছেন।
অন্যদিকে পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্য আওয়ামী লিগের কার্যক্রমের উপর থেকে এখনও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হয়নি। ফলে জামিন পেলেও ওই দলের নেতাকর্মীদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার কোনও আইনি সুযোগ নেই। সেই কথাটি পুলিশ প্রশাসনকে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে।
দুদিন আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ ঘোষণা করেন, গণ অভ্যুত্থানের পর নির্বিচারে যে সব ভিত্তিহীন মামলা দায়ের হয়েছিল সেগুলি প্রত্যাহার করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার জন্য পুলিশকে বলা হয়েছে।