বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের প্রয়াত আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকারী সন্দেহে বনগাঁ থেকে দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাক্স ফোর্স
শনিবার রাতে ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানানো হয়েছে।

শেষ আপডেট: 8 March 2026 21:22
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের প্রয়াত আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকারী সন্দেহে বনগাঁ থেকে দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাক্স ফোর্স
শনিবার রাতে ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে তদন্তে ধৃতরা বলেছে, তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিল। তারপর ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে তারা বনগাঁয় জড়ো হয়েছিল দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য। বিশ্বস্ত সূত্রে খবর পেয়ে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ট্রাস্ট ফোর্স তাদের গ্রেফতার করে। ওই সংস্থা জানিয়েছে বাংলাদেশের তোলাবাজি এবং হত্যাকাণ্ডের মতো গুরুতর অপরাধে জড়িত দুই আসামি ভারতে প্রবেশ করে বনগাঁয় অবস্থান করছে বলে তারা জানতে পারে। বাংলাদেশ পুলিশ জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ধৃতরা ঢাকায় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ক শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকান্ড হত্যাকারী।

হাদি হত্যার অন্যতম আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ
এ বছরের গোড়ায় বাংলাদেশের নির্বাচনী প্রচার চলাকালীন ঢাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে হাদিকে হত্যা করা হয়েছিল। প্রয়াত হাদি ঢাকা ৮ আসনে নির্দল প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে ঠিক ছিল। মনোনয়নপত্র পেশ করার আগেই তাকে হত্যা করা হয়।
ওই ঘটনায় উত্তাল হয় বাংলাদেশ। তখনই বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক থেকে বলা হয়েছিল অভিযুক্তরা ভারতে পালিয়ে গিয়ে থাকতে পারে। তাদের গ্রেফতার করা মাত্র যেন বাংলাদেশ সরকারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ওই সময় দু দেশের মধ্যে উত্তেজনার আবহে দিল্লির তরফে হাদির হত্যাকারীদের ভারতে প্রবেশের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছিল। এখন পশ্চিমবঙ্গ সরকার দুই হত্যাকারীকে গ্রেফতার করায় অনেকগুলি প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের মুখে কেন্দ্রীয় সরকার এবং বিজেপি বারে বারে দাবি করে আসছে বাংলাদেশ থেকে এ রাজ্যে ক্রমাগত অনুপ্রবেশ চলছে। ভারত বিরোধী জঙ্গিরাও পশ্চিমবঙ্গকে নিরাপদ বলে বেছে নিয়েছে এমন অভিযোগ করা হচ্ছে গেরুয়া শিবির থেকে।
এমন প্রেক্ষাপটে দুই দুষ্কৃতী গ্রেফতারের পর পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ দাবি করেছে ধৃতরা মেঘালয় দিয়ে প্রবেশ করেছিল। মেঘালয় বর্তমানে যে জোট সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। বিজেপি সেই সরকারের শরিক।