গত সপ্তাহে বাংলাদেশ সরকার সাবেক প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপি'র (BNP) সাড়ে চার দশকের চেয়ারপারসন প্রয়াত খালেদা জিয়াকে 'স্বাধীনতা' পুরস্কারে ভূষিত করে। সেটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান।
.jpg.webp)
পুরস্কার গ্রহণ করলেন নাতনি জাইমা
শেষ আপডেট: 8 March 2026 17:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলাদেশের সদ্যপ্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে (Former PM Khaleda Zia) তাঁর ছেলে তারেক রহমানের (Tarique Rahman) সরকার এবার মরণোত্তর 'শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী' সম্মানে ভূষিত করল। প্রয়াত প্রধানমন্ত্রীর নাতনি তথা তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান (Zaima Rahman) রবিবার ঢাকায় ওসমানী মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে পুরস্কার গ্রহণ করেন। তাঁর হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন। রবিবারের অনুষ্ঠানটি নিয়ে নতুন সরকারের সময়ে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন দ্বিতীয় কোনও সরকারি অনুষ্ঠানে ডাক পেলেন।
গত সপ্তাহে বাংলাদেশ সরকার সাবেক প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপি'র (BNP) সাড়ে চার দশকের চেয়ারপারসন প্রয়াত খালেদা জিয়াকে 'স্বাধীনতা' পুরস্কারে ভূষিত করে। সেটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান।
রবিবার আন্তর্জাতিক নারী দিবসে খালেদা জিয়ার স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে তাঁকে মরণোত্তর শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করে বাংলাদেশ সরকারের শিশু ও নারী কল্যাণ মন্ত্রক।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে খালেদা জিয়ার দুটি সিদ্ধান্তের জন্য তাঁকে অদম্য এবং আপসহীন নেত্রী বলে থাকে বিএনপি। এর মধ্যে একটি হল, ১৯৮৬ সালে সেনা শাসক হুসেন মহম্মদ এরশাদের সময়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন বয়কটের সিদ্ধান্ত। ওই নির্বাচনে বিরোধীরা সম্মিলিতভাবে প্রথমে বয়কটের সিদ্ধান্ত নিলেও পরে আওয়ামী লিগ ও জামায়েত ইসলামী অবস্থান বদল করে। কিন্তু বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেয়নি। ভোটের পর গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে সেই কারণে বিএনপি এবং খালেদা জিয়া অগ্রভাগে থাকতে পেরেছিলেন বলে মনে করা হয়।
খালেদার দ্বিতীয় বড় অদম্য সিদ্ধান্ত ছিল শেখ হাসিনার সময়ে ২০১৪ এবং ২০২৪ এ ভোট বয়কট। নানাভাবে বিএনপিকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হলেও দলনেত্রী অবস্থান বদল করেননি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও তাঁর বেশ কিছু সিদ্ধান্ত তাঁর 'আপসহীন' পরিচয় আরও মজবুত করে। বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং উন্নয়নের দিশারী হিসেবে এ বছরই তাঁকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার দিয়েছে সরকার।