সাবেক পুলিশ কর্তা মঙ্গলবার শুনানিতে ট্রাইব্যনালের বিচারপতির কাছে অপরাধ স্বীকার করে নিয়ে বলেন, আমি দেশবাসী, নিহতদের পরিবার এবং আগতদের কাছে ক্ষমা চাইছি

২৪-এর জুলাই গণবিপ্লবের সময় বাংলাদেশ পুলিশের প্রধান ছিলেন আবদুল্লাহ আল মামুন। গণহত্যার দায়ে এখন জেলে
শেষ আপডেট: 2 September 2025 19:40
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত বছর জুলাই-অগস্ট মাসে বাংলাদেশে সরকার বিরোধী আন্দোলন দমনে পুলিশ শেখ হাসিনার নির্দেশে গুলি করে মানুষ মারে। ওই সময় বাংলাদেশ পুলিশের প্রধানের দায়িত্বে থাকা আবদুল্লাহ আল মামুন মঙ্গলবার ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাক্ষ্যে বলেছেন। তৎকালীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধেও গুচ্ছ অভিযোগ করেন তিনি।
সাবেক এই পুলিশ কর্তা আগেই রাজসাক্ষী হতে চেয়ে ট্রাইব্যুনালের কাছে গোপন জবানবন্দি দিয়েছেন। মঙ্গলবার শুনানিতে ৩৬ তম সাক্ষী হিসাবে তিনি বলেন, আমার ৩৬ বছরের কর্মজীবনে কখনও মানবতা বিরোধী অপরাধে যুক্ত থাকাট অভিযোগ ওঠেনি। চাকরি জীবনের শেষ লগ্নে এসে অপরাধে জড়িয়েছি প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর নির্দেশ।
সাবেক পুলিশ কর্তা মঙ্গলবার শুনানিতে ট্রাইব্যনালের বিচারপতির কাছে অপরাধ স্বীকার করে নিয়ে বলেন, আমি দেশবাসী, নিহতদের পরিবার এবং আগতদের কাছে ক্ষমা চাইছি। বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের উদ্দেশে সাবেক পুলিশ প্রধান বলেন, আমি প্রত্যাশা করি আদালত আমাকে ক্ষমা করবে।
হাসিনা ছাড়াও মানবতা বিরোধী এই অপরাধের এই মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং আইজিপির নাম রয়েছে। সব মিলিয়ে এই মামলায় আসামির সংখ্যা ৪৫ জন। ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম জানান, আগামী বছরের জানুয়ারিতে এই মামলার শুনানি শেষ করার চেষ্টা হচ্ছে। যাতে ফেব্রুয়ারিতে রায়দান সম্ভব হয়।