Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
Gold investment: যুদ্ধের বাজারে সোনার দাম কমছে! এখনই কি বিনিয়োগের সেরা সময়? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরারহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়ের

ভোট বয়কটের ডাক সফল, দাবি হাসিনার, আগের রাতে বুথ দখল, হিংসার অভিযোগ আওয়ামী নেত্রীর

হাসিনা ওই বিবৃতিতে আরও বলেছেন, অবৈধ ও অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতা দখলকারী ইউনুসের বৃহস্পতিবারের তথাকথিত নির্বাচন ছিল মূলত একটি সুপরিকল্পিত প্রহসন। জনগণের ভোটাধিকার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সংবিধানের চেতনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আয়োজন করা হয়েছে আওয়ামী লিগবিহীন, ভোটারবিহীন প্রতারণামূলক নির্বাচন।

ভোট বয়কটের ডাক সফল, দাবি হাসিনার, আগের রাতে বুথ দখল, হিংসার অভিযোগ আওয়ামী নেত্রীর

শেখ হাসিনা

শেষ আপডেট: 12 February 2026 20:35

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (Bangladesh Election 2026 ) অংশ নিতে না দেওয়ায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) তার দলকে বৃহস্পতিবারের ভোট বয়কট করার ডাক দিয়েছিলেন। ভোট শেষে তিনি দাবি করেন, অবৈধ ও অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা দখলকারী খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনুসের প্রহসনের নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছেন বাংলাদেশের মা-বোন-সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ সর্বস্তরের জনগণ।‌ তিনি এজন্য তাদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন।

হাসিনা ওই বিবৃতিতে আরও বলেছেন, অবৈধ ও অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতা দখলকারী ইউনুসের বৃহস্পতিবারের তথাকথিত নির্বাচন ছিল মূলত একটি সুপরিকল্পিত প্রহসন। জনগণের ভোটাধিকার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সংবিধানের চেতনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আয়োজন করা হয়েছে আওয়ামী লিগবিহীন, ভোটারবিহীন প্রতারণামূলক নির্বাচন।

১১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার পর থেকেই ভোটকেন্দ্র দখল, গোলাগুলি, ভোট কেনাবেচায় টাকার ছড়াছড়ি, ব্যালট পেপারে সিল প্রদান এবং ফলাফল শিটে এজেন্টদের স্বাক্ষর গ্রহণের মধ্য দিয়েই এই প্রহসনের সূচনা হয়। ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে সারাদেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল একেবারেই নগণ্য। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বহু ভোটকেন্দ্র ছিল সম্পূর্ণ ভোটারশূন্য।

নির্বাচন কমিশনের ব্রিফিং অনুযায়ী, সকাল ১১টা পর্যন্ত (সাড়ে তিন ঘন্টায়) ভোটগ্রহণের হার ছিল মাত্র ১৪.৯৬%। ভোটগ্রহণের উৎকর্ষ সময়ে জনগণের এই কম অংশগ্রহণই প্রমাণ করে যে আওয়ামী লিগ বিহীন এই ভোট জনগণ বর্জন ও প্রত্যাখ্যান করেছে।

উল্লেখ করা প্রয়োজন, বিগত কয়েক দিন ধরে আওয়ামী লিগের ভোটার, সমর্থক-শুভানুধ্যায়ী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর লাগাতার হামলা, গ্রেফতার, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও আতঙ্ক সৃষ্টি করে জোরপূর্বক ভোটকেন্দ্রে নেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত ছিল। তবুও সকল ভয়ভীতি উপেক্ষা করে তারা এই প্রতারণামূলক নির্বাচন বর্জন ও প্রত্যাখ্যান করেছে। ফলে দেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রই ছিল কার্যত ভোটারশূন্য। এছাড়া ভোটার তালিকায়, বিশেষ করে ঢাকা শহরে, ভোটারের সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি লক্ষ করা গেছে, যা অত্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ ও অবিশ্বাস্য।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, এমতাবস্থায়, এই ভোটারবিহীন অবৈধ ও অসাংবিধানিক নির্বাচন বাতিল, খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনুসের পদত্যাগ নিশ্চিতকরণ, সকল রাজবন্দিসহ শিক্ষক-সাংবাদিক-বুদ্ধিজীবীসহ সকল পেশাজীবীর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারপূর্বক মুক্তি, আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের ওপর আরোপিত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার এবং নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন আয়োজনের মধ্য দিয়ে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেবার দাবি জানাচ্ছি।

এদিকে এক যুক্ত বিবৃতিতে সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লিগের সভাপতি এম. নজরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান বলেছেন, ‘অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী ফ্যাসিস্ট-খুনি অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচন যে একটি পুরোপুরি প্রহসন ছিল তা প্রমাণিত হয়েছে। সাধারণ মানুষও আগে থেকেই তা বুঝতে পেরেছিল। তাই এই ভোট নিয়ে তাদের কোনও আগ্রহ ছিল না। ফলে নানা ধরনের ভয় দেখিয়ে, প্রলোভন দিয়েও মানুষকে সেভাবে ভোটকেন্দ্রে নিতে পারেনি। অনেকে এই প্রহসনের এবং দেশে চলা মব সন্ত্রাস, গায়েবি মামলা ও গণগ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানাতে সচেতনভাবে নির্বাচন বর্জন করেছে। তাই অনেক ভোটকেন্দ্রের বাইরে জামায়াত-বিএনপির কর্মীরা জটলা করলেও কেন্দ্রের ভেতরে ভোটারের উপস্থিতি ছিল না বললেই চলে। 
বাংলাদেশের নির্বাচনের ইতিহাসে এমন জঘন্য নির্বাচন আগে আর কখনো দেখা যায়নি। কয়েকদিন ধরেই ভোট কেনাবেচা হয়েছে। ৭৫ লক্ষ টাকাসহ জামায়াত নেতা ধরাও পড়েছে। তদুপরি আগের দিন অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হয়ে যায় ভোটকেন্দ্র দখল, গোলাগুলি, ব্যালট পেপারে সিল মারা, ফলাফল শিটে এজেন্টদের স্বাক্ষর নেওয়া, এমনকি খালি রেজাল্ট শিটে প্রিজাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর নেওয়াসহ নানা অপকর্ম। তার কিছু কিছু পত্রপত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসেছেও।’

তারা বলেন, ‘সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লিগের পক্ষ থেকে আমরা বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের নির্বাচন বর্জনের মতো এমন সাহসী ও সচেতন পদক্ষেপকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছি এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। একই সঙ্গে প্রহসনের এই নির্বাচন বাতিল করে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সুষ্ঠু পরিবেশে বাংলাদেশ আওয়ামী লিগসহ সব দলের অংশগ্রহণে প্রকৃত গণতান্ত্রিক নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি।


```