ছাত্র লিগের বক্তব্য, এবার এই বোর্ড পরীক্ষাগুলিতে প্রায় সওয়া চার লাখ পরীক্ষার্থী কম।
.jpeg.webp)
শেষ আপডেট: 25 June 2025 20:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আগামীকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে উচ্চ মাধ্যমিক (Bangladesh Higher Secondary Board), মাদ্রাসা (Bangladesh Madrasa Board) ও কারিগরি বোর্ডের (Technical Board) পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। এবার সব মিলিয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন। পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছে আওয়ামী লিগের ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্র লিগ (Bangladesh Chhatra League)। গত বছর অক্টোবর মাস থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো এই ছাত্র সংগঠনটি নিষিদ্ধ। নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই সংগঠনটি ছাত্র সমাজের জন্য নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
ছাত্র লিগের বক্তব্য, এবার এই বোর্ড পরীক্ষাগুলিতে প্রায় সওয়া চার লাখ পরীক্ষার্থী কম। এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে, পরিতাপের বিষয়, অবৈধ-অসাংবিধানিক-জঙ্গি গডফাদার ইউনুসের কারণে এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক, মাদ্রাসা ও কারিগরি সমমান পরীক্ষায় প্রায় সওয়া চার লাখ শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে। অর্থনৈতিক চাপ, দারিদ্র বৃদ্ধি, বাল্যবিবাহ, শিক্ষাঙ্গনে পরিবেশ নষ্ট হওয়া ও সন্ত্রাস-মব এবং সরকারি উদ্যোগের গাফিলতিতে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছে উচ্চ মাধ্যমিকে ২৭%, মাদ্রাসা বোর্ডে ৩৯% এবং কারিগরি বোর্ডে ৪০% , যা দেশের শিক্ষাব্যবস্থা এবং ভবিষ্যতের জন্য অশনিসংকেত।
সংগঠনটির আরও বক্তব্য, একই সঙ্গে শিক্ষার মতো মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়মিত ক্লাস-পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছে না, শিক্ষা উপকরণ ধ্বংস, বহিষ্কার, সনদ বাতিল, হামলা-মামলা, আইনের আশ্রয় থেকে বঞ্চিত, হত্যার হুমকি ও হত্যা প্রভৃতি কারণে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়াও সম্মানিত শিক্ষকদের সঙ্গে একইভাবে অত্যাচার-নির্যাতন পুরো শিক্ষাব্যবস্থার মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছে।
সংগঠনটি বলেছে, এমন চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতে যারা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছে তাদের জন্য শুভকামনা এবং যারা অংশ নিতে পারছে না তাদের নিরাপদ ও স্বাভাবিক-সুন্দর জীবনের প্রার্থনা করছে বাংলাদেশ ছাত্র লিগ।

<strong>হাসিনার সঙ্গে ছাত্র লিগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ইনান</strong>
ছাত্র লিগ দাবি করেছে, উন্নত-আত্মনির্ভরশীল দেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের নির্ভরতা-নিশ্চয়তার প্রতীক শেখ হাসিনার যুগোপযোগী, আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের উপযোগী শিক্ষানীতির আলোকে শিক্ষা বাজেট বৃদ্ধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ ও এমপিওভুক্তকরণ, শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে বই বিতরণ, উপবৃত্তি ও শিক্ষাবৃত্তি, করোনাকালে বিকল্প শিক্ষা কার্যক্রম, সর্বস্তরে বিজ্ঞানভিত্তিক ও গবেষণাধর্মী শিক্ষা ব্যবস্থার প্রসার, নকল ও প্রশ্নফাঁসমুক্ত পরীক্ষা, সন্ত্রাস ও সেশনজটমুক্ত ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়েছিল।
প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাকে সমানভাবে গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে নিয়েছেন শেখ হাসিনা। ফলে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও বর্তমানে বিজ্ঞান ও তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ করতে পারছে। এতে শিক্ষাবৈষম্য দূর হয়ে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে সম-প্রতিযোগীতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।