Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
স্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতারনববর্ষে বাঙালিয়ানার ষোলো আনা স্বাদ! ঢাকাই কালো ভুনা থেকে আম পেঁয়াজির যুগলবন্দি, মিলবে এই রেস্তরাঁয়

ট্রেডমিল টেস্টে পাস করার ৬ সপ্তাহ পরই হার্ট অ্যাটাক, হদরোগের জন্য এই পরীক্ষাই যথেষ্ট নয়

ট্রেডমিল টেস্টে স্বাভাবিক রিপোর্ট এলেও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি থেকেই যায়, বলছেন বিশেষজ্ঞরা। হৃদরোগ নির্ণয়ে এই পরীক্ষার সীমাবদ্ধতা বুঝে আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ।

ট্রেডমিল টেস্টে পাস করার ৬ সপ্তাহ পরই হার্ট অ্যাটাক, হদরোগের জন্য এই পরীক্ষাই যথেষ্ট নয়

ট্রেডমিল টেস্টই যথেষ্ট নয়

গার্গী দাস

শেষ আপডেট: 30 March 2026 15:50

দ্য ওয়াল ব্যুরো: হার্টের (heart) সমস্যা বোঝার জন্য ট্রেডমিল স্ট্রেস টেস্ট (treadmill stress test) এখন বেশ প্রচলিত। শারীরিক পরিশ্রমের সময় হৃদযন্ত্র কীভাবে কাজ করছে, তা যাচাই করতেই এই পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু এই পরীক্ষার সীমাবদ্ধতা (limitations) নিয়ে এবার সতর্ক করলেন অ্যাপোলো হাসপাতালের (Apollo Hospitals, Hyderabad) নিউরোলজিস্ট ডা. সুধীর কুমার (Dr. Sudhir Kumar)। তাঁর কথায়, “রিপোর্ট স্বাভাবিক এলেই যে সব ঠিক আছে, এমন ভাবার কোনও কারণ নেই।”

২৭ মার্চ (March 27) সোশ্যাল মিডিয়ায় (X) একটি কেস স্টাডি (case study) শেয়ার করে এই বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন তিনি। ঘটনাটি ৫৫ বছরের এক ব্যক্তিকে নিয়ে। মাঝেমধ্যে বুকের অস্বস্তি (chest discomfort) নিয়ে চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলেন তিনি। স্থানীয় চিকিৎসক তাঁকে ট্রেডমিল টেস্ট করার পরামর্শ দেন। রিপোর্ট স্বাভাবিক (normal) আসে, ফলে আর কোনও পরীক্ষা (test) করা হয়নি।

কিন্তু তার মাত্র ছ’সপ্তাহ পরই ঘটে বিপত্তি। ওই ব্যক্তি হঠাৎই অ্যাকিউট মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন (acute myocardial infarction) অর্থাৎ হার্ট অ্যাটাকের (heart attack) শিকার হন। পরে করোনারি অ্যাঞ্জিওগ্রাফিতে (coronary angiography) ধরা পড়ে মাল্টিভেসেল করোনারি আর্টারি ডিজিজ (multivessel coronary artery disease)।

ডা. কুমারের ব্যাখ্যা, সমস্যা পরীক্ষায় নয় বরং তার সীমায়। “এই টেস্ট মূলত আর্টারির (artery) এমন বাধা (obstruction) ধরতে পারে, যা রক্তপ্রবাহ (blood flow) কমিয়ে দেয়। অর্থাৎ রোগের অনেকটা পরের স্তর (later stage) বোঝা যায়।”

কিন্তু যেটা ধরা পড়ে না, সেটাই আসল চিন্তার। প্লাক (plaque) অর্থাৎ ফ্যাট, কোলেস্টেরল (cholesterol) ও অন্যান্য পদার্থ জমে আর্টারির দেওয়ালে যে স্তর তৈরি হয়, তা এই টেস্টে ধরা পড়ে না। বিশেষ করে ‘নন-অবস্ট্রাকটিভ প্লাক’ (non-obstructive plaque), যা হঠাৎ ফেটে গিয়ে হার্ট অ্যাটাক ঘটাতে পারে।

“বেশিরভাগ হার্ট অ্যাটাকই এই ধরনের প্লাক ফেটে যাওয়ার জন্য হয়,” স্পষ্ট করে বলেন ডা. কুমার। তাঁর সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা, “স্ট্রেস টেস্ট ইসকিমিয়া (ischemia) বাদ দিতে পারে কিন্তু অ্যাথেরোস্কলেরোসিস (atherosclerosis) নয়।”

এই পরীক্ষার প্রক্রিয়াও বেশ সহজ। প্রথমে বিশ্রামের সময় ভাইটালস (vitals) নেওয়া হয়, তারপর ট্রেডমিলে হাঁটা শুরু। প্রতি তিন মিনিটে পর্যবেক্ষণ (monitoring) করতে করতে ধীরে ধীরে বাড়ানো হয় চাপ (intensity)। সর্বোচ্চ হার্ট রেটের (maximum heart rate) কাছাকাছি পৌঁছনো পর্যন্ত চলে পরীক্ষা, তারপর কুল-ডাউন (cool-down)।

সব মিলিয়ে, ট্রেডমিল টেস্ট গুরুত্বপূর্ণ হলেও একে চূড়ান্ত ভরসা হিসেবে দেখা ঠিক নয়, এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের।


```