Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
সরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র

হাসপাতালে রাউন্ডে বেরিয়ে হৃদরোগ, রোগীদের সামনেই মৃত্যু হল চেন্নাইয়ের হার্ট সার্জেনের

চেন্নাইয়ের সাভীথা মেডিকেল কলেজে মাত্র ৩৩ বছর বয়সী হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ড. গ্রাডলিন রয়ের মৃত্যু চিকিৎসক মহলে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, তরুণ চিকিৎসকদের মধ্যে হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা বাড়ছে।

 

হাসপাতালে রাউন্ডে বেরিয়ে হৃদরোগ, রোগীদের সামনেই মৃত্যু হল চেন্নাইয়ের হার্ট সার্জেনের

ফাইল চিত্র

অন্বেষা বিশ্বাস

শেষ আপডেট: 30 August 2025 11:32

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ৩৩ বছর বয়সী এক হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়েছে। চেন্নাইয়ের সাভীথা মেডিকেল কলেজের কনসালট্যান্ট কার্ডিয়াক সার্জন ড. গ্রাডলিন রয় বুধবার হাসপাতালের মধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়েন।

হায়দরাবাদের স্নায়ু বিশেষজ্ঞ ড. সুধীর কুমার এক্স-এ (আগের টুইটার) লিখেছেন, "সহকর্মীরা তাকে বাঁচাতে যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। সিপিআর, জরুরি অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি, স্টেন্টিং, আইএবিপি এমনকি ইসিএমও ব্যবহার করেও তার জীবন বাঁচানো সম্ভব হয়নি।" ড. কুমার জানান, তার বাঁ দিকের প্রধান ধমনী ১০০ শতাংশ অবরুদ্ধ ছিল, যার ফলে এই হার্ট অ্যাটাক হয়।

ড. কুমার আরও বলেন, গ্রাডলিন রয়ের মৃত্যু কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। গত কয়েক বছর ধরে ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সী তরুণ চিকিৎসকদের মধ্যে হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক একটি উদ্বেগজনক প্রবণতা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চিকিৎসকদের মৃত্যুর পেছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে। যেমন:

১. অতিরিক্ত কাজের চাপ: চিকিৎসকদের প্রায়ই দিনে ১২ থেকে ১৮ ঘণ্টা কাজ করতে হয়। কখনও কখনও টানা ২৪ ঘণ্টার বেশিও কাজ করতে হয়।

২. মানসিক চাপ: জীবন-মৃত্যুর সিদ্ধান্ত নেওয়ার চাপ, রোগীদের উচ্চ প্রত্যাশা এবং আইনি জটিলতার ভয় তাদের উপর মারাত্মক মানসিক চাপ তৈরি করে।

৩. অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন: অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব এবং নিজেদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতি অবহেলাও এর জন্য দায়ী।

৪. মানসিক স্বাস্থ্যের অবহেলা: পেশাগত চাপ থেকে তৈরি হওয়া অবসাদ, উদ্বেগ এবং মানসিক ক্লান্তি প্রায়ই উপেক্ষা করা হয়, যা তাদের স্বাস্থ্যের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলে।

এই ঘটনাটি চিকিৎসকদের কঠিন কর্মজীবনের বাস্তবতা এবং তাদের স্বাস্থ্যের ঝুঁকির বিষয়টি আবার সামনে এনেছে।


```