৭ মে পাকিস্তানের প্রায় ১০০ কিমি ভিতরে ঢুকে ভারতের সর্ববৃহৎ জঙ্গি দমন অভিযান ‘অপারেশন সিঁদুর’ হয়েছিল

৯-১০ মে-তে অভিযান পরবর্তী আঘাতে ব্রহমস ক্ষেপণাস্ত্র প্রয়োগ করা হয়েছিল।
শেষ আপডেট: 24 May 2025 12:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অপারেশন সিঁদুরের জঙ্গি নিকেশ অভিযানে ছিলেন বেশ কয়েকজন মহিলা ফাইটার বিমান চালক। ব্যবহার করা হয়েছিল ভারতের নিজস্ব ব্রহমস ক্ষেপণাস্ত্র, যাতে মিশে গিয়েছে পাক বায়ুসেনা ঘাঁটি। ভারতের প্রত্যাঘাতে মৃত্যু হয়েছে ৪২ জন পাক সেনা সহ ১৭০ জঙ্গির। প্রতিরক্ষা বিভাগের গোপন সূত্র মারফত এই সংবাদ জানিয়েছেন মানিকন্ট্রোল নামে ইংরেজি সংবাদমাধ্যম।
৭ মে পাকিস্তানের প্রায় ১০০ কিমি ভিতরে ঢুকে ভারতের সর্ববৃহৎ জঙ্গি দমন অভিযান ‘অপারেশন সিঁদুর’ হয়েছিল পহলগামে জঙ্গিহানায় ২৬ জন নিরীহ খুনের প্রত্যাঘাতে। পাকিস্তানের মূল জঙ্গি ঘাঁটি বাহাওয়ালপুর সহ ৯টি জায়গা এবং গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বায়ুসেনা ঘাঁটিতে একের পর এক আঘাত করে ভারতীয় বায়ুসেনা। সেই অভিযানেই গুরুত্বপূর্ণ অংশ নিয়েছিলেন দেশের মহিলা জেট যুদ্ধবিমান চালকরা।
শীর্ষ প্রতিরক্ষা বিভাগের সূত্র জানিয়েছে, ভারতের আঘাতে মোট ৪২ জন পাক সেনার মৃত্যু হয়। ভারতের দিকে শহিদ হয়েছেন সাতজন। ৯-১০ মে-তে অভিযান পরবর্তী আঘাতে ব্রহমস ক্ষেপণাস্ত্র প্রয়োগ করা হয়েছিল। যাতে বেশ কয়েকটি পাকিস্তানি বিমানঘাঁটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কয়েকটি এখনও সংস্কার করা সম্ভব হয়নি, অকেজো হয়ে রয়েছে।
সূত্র আরও জানিয়েছে, ভারতের কৌশলগত আক্রমণ অত্যন্ত নির্ভুল ছিল। আমরা যে নিশানাগুলিকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলাম, তার সবকটিই সময়মতো, নিখুঁতভাবে করেছে আমাদের বাহিনী। ভারতের এই প্রত্যাঘাতে পাকিস্তানি সেনা ও বায়ুসেনা মারাত্মক রকমের অপদস্থ ও হেনস্তার শিকার হয়েছে। এই অবস্থায় পাকিস্তান যে কোনও মুহূর্তে কোনও কিছু করে ফেলতে পারে। সেই আশঙ্কার কথা আগাম আঁচ করে ভারতের তিন বাহিনী সদা সতর্ক রয়েছে।
সূত্রের মতে, পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে ফিল্ড মার্শাল করার কারণই হচ্ছে মুখরক্ষার তাগিদ। বিশাল ক্ষয়ক্ষতির পর সাধারণ মানুষের কাছে অস্বস্তি ঠেকাতে তাঁর পদমর্যাদা বৃদ্ধি করা হয়েছে।