ভাইরাল ভিডিওর পর পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নেয়। অভিযুক্ত কমল খান্নাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে।

ছবি সিসিটিভি ফুটেজ থেকে সংগৃহীত
শেষ আপডেট: 23 August 2025 19:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের পথকুকুরকে (Stray Dogs) কেন্দ্র করে মারাত্মক ঘটনা। না, এবার কেউ কামড় খাননি। তবে পথকুকুরদের খাওয়াতে গিয়ে মার খেতে হল এক মহিলাকে (Woman)। গাজিয়াবাদের বিজয়নগরের (Vijaynagar, Ghaziabad) এক হাউজিং সোসাইটিতে ঘটেছে এই ঘটনা।
কুকুর খাওয়াতে গিয়ে শারীরিক হেনস্থার শিকার হলেন এক তরুণী। অভিযোগ, স্থানীয় এক বাসিন্দা টানা আটবার (Eight Times Slap) তাঁকে চড় মারেন এবং তাও মাত্র চল্লিশ সেকেন্ডের মধ্যে। গোটা ঘটনাটি মোবাইল ফোনে ধরা পড়েছে এবং ইতিমধ্যেই তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল (Viral Video) হয়ে উঠেছে।
কী ঘটেছিল
যশিকা শুক্লা (Yashika Shukla), যিনি গাজিয়াবাদের বাসিন্দা, জানিয়েছেন, শুক্রবার গভীর রাতে তিনি ওই এলাকার নির্দিষ্ট জায়গায় (Designated Feeding Spot) কুকুরদের খাবার দিচ্ছিলেন। সেই সময় ব্রহ্মপুত্র এনক্লেভ সোসাইটির বাসিন্দা কমল খান্না (Kamal Khanna) এসে হঠাৎ তাঁকে থাপ্পড় মারতে শুরু করেন। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, খান্না বারবার তাঁকে আঘাত করছেন, অথচ যশিকা কেবল বলছেন, “দিদি, ভিডিও তোলো, উনি আমাকে মারছেন।”
প্রত্যুত্তরে খান্নাকে বলতে শোনা যায়, “হ্যাঁ, রেকর্ড করো।” তিনি দাবি করেন, যশিকা নাকি আগে তাঁকে আঘাত করেছিলেন। তবে ভিডিও ফুটেজে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, খান্না টানা চড় মারছেন এবং আশেপাশের মানুষ আতঙ্কে চিৎকার করছেন।
गाजियाबाद
डॉग लवर महिला को सोसायटी के व्यक्ति ने बेरहमी से पीटा
महिला खिला रही थी भूखे स्ट्रीट डॉग्स को खाना
खाना खिलाना डॉग लवर महिला को पड़ा भारी
थाना विजय नगर के सिद्धार्थ विहार स्थित ब्रह्मपुत्र एनक्लेव सोसायटी का मामला। @JantantraTv @dog_feelings @lokeshRlive pic.twitter.com/KJcbhMsS1r— अरुण चन्द्रा 🇮🇳 (@vipchandra13) August 23, 2025
পুলিশের পদক্ষেপ
ভাইরাল ভিডিওর পর পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নেয়। অভিযুক্ত কমল খান্নাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে।
সুপ্রিম কোর্টের প্রেক্ষাপট
ঘটনার সময় বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) তার পথকুকুরদের নিয়ে নির্দেশ সংশোধন করেছে। প্রাথমিক নির্দেশে আদালত আট সপ্তাহের মধ্যে দিল্লি ও আশপাশে থেকে সব কুকুর ধরে এনে শেল্টারে রাখার কথা বলেছিল। কিন্তু সেই নির্দেশ বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠলে আদালত নতুন নির্দেশ জারি করে জানায় - কুকুরদের টিকা (Vaccination) ও নির্বীজকরণ (Sterilisation) করার পর আবার মুক্ত করা হবে, যদি না তারা রেবিস আক্রান্ত বা অত্যধিক আক্রমণাত্মক হয়। একই সঙ্গে নির্দিষ্ট স্থানে কুকুর খাওয়ানোর ব্যবস্থার কথাও বলা হয়।