ঘটনাটি মূলত নজরে আসে গত ১৪ মে। সাবিনার ভাই পুলিশকে জানায়, কয়েকদিন আগে লখনউ যাওয়ার কথা বলেছিল দিদি।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 17 May 2025 12:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পণের দাবি (Dowry)। সেই নিয়ে লাগাতার ঝামেলা ছিল স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে। সেই ঝামেলার পরিণতি হল ভয়ঙ্কর। স্ত্রীকে খুনের পর দেহ টুকরো করে একাধিক জায়গায় ছড়িয়ে দিল যুবক। শুধু তাই নয়, কাটা হাত-পার সঙ্গে জামাকাপড় পুড়িয়েও ফেলে সে! মারাত্মক এই ঘটনা ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের (Uttarpradesh) শ্রাবস্তিতে। ওই যুবক ইতিমধ্যে গ্রেফতারও (Arrest) হয়েছে।
পুলিশি জেরায় অভিযুক্ত যুবক সইফুদ্দিন স্বীকার করেছে, পণ নিয়ে ঝামেলার জেরেই এই ঘটনা ঘটিয়েছে সে। রাগের বশে স্ত্রী সাবিনাকে খুন করে এবং দেহ লোপাট করতে তা কেটে টুকরো করে দেয়। ওই অঞ্চলের অন্তত ১০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে দেহাংশ ছড়িয়ে দিয়েছিল যুবক। অন্যদিকে, মৃতদেহের অংশ খুঁজে পেলেও যাতে তাকে কেউ চিনতে না পারে সেই কারণে হাত-পা এবং জামাকাপড় পুড়িয়ে ফেলেছিল সে। মৃত স্ত্রীর মুখও ক্ষতবিক্ষত করে দিয়েছিল।
ঘটনাটি মূলত নজরে আসে গত ১৪ মে। সাবিনার ভাই পুলিশকে জানায়, কয়েকদিন আগে লখনউ যাওয়ার কথা বলেছিল দিদি। কিন্তু পরে সইফুদ্দিনকে সে এলাকায় দেখতে পেলেও সাবিনাকে দেখতে পায়নি। বিষয়টি নিয়ে জিজ্ঞেস করলেও বিশ্বাসযোগ্য কোনও উত্তর দিতে পারেনি সইফ। এরপরই সে থানায় মিসিং ডায়েরি করে। পুলিশ তদন্ত শুরু করার পরই একের পর এক দেহাংশ উদ্ধার হয়। তাতেই সন্দেহ বাড়ে যে বীভৎস এক ঘটনা ঘটিয়েছে সইফুদ্দিন।
যদিও প্রথমে পুলিশের কাছে দোষ স্বীকার করেনি সইফুদ্দিন। কিন্তু পরে চাপে পড়ে সে জানায় কেন এবং কীভাবে সে স্ত্রীকে খুন করেছে। তার বর্ণনা শুনে পুলিশও স্বাভাবিকভাবে চমকে যায়। বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছে অভিযুক সইফুদ্দিন।