প্রেমিকা ও প্রেমিক, দু’জনেরই পরিবার তাঁদের অন্যত্র বিয়ের ব্যবস্থা করে ফেলেছিলেন (couple tragedy Tripura)। তার জেরেই ভয়াবহ পরিণতি।

ঘটনাস্থলে পুলিশ
শেষ আপডেট: 27 November 2025 16:27
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রেমিকা ও প্রেমিক, দু’জনেরই পরিবার তাঁদের অন্যত্র বিয়ের ব্যবস্থা করে ফেলেছিলেন (couple tragedy)। তার জেরেই ভয়াবহ পরিণতি দেখল ত্রিপুরা। প্রথমে গুলি করে প্রেমিকাকে খুন, তারপর আত্মঘাতী হলেন তরুণ (couple tragic death)। বৃহস্পতিবার এমনই জানিয়েছে ত্রিপুরা পুলিশ (Tripura murder-suicide case)।
ঘটনাটি ঘটেছে, ত্রিপুরার গোমতী জেলার উদয়পুরে (Couple shooting in Gomati district)। জানা গিয়েছে, মৃতদের নাম ২৬ বছরের সোহেল মিয়া, শালগরার বাসিন্দা এবং শিলগাটি এলাকার জন্নাত আখতার।
সর্বভারতীয় এক সংবাদ সংস্থাকে উদয়পুরের এসডিপিও দেবাঞ্জলি রায় জানিয়েছেন, দু’জনের গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধার করে পাঠানো হয়েছে আগরতলায়, সেখানেই ময়নাতদন্ত করা হবে।
তিনি জানান, “বুধবার বিকেল সাড়ে চারটা নাগাদ হোলাসেট এলাকায় একটি গুলি চলার ঘটনা ঘটেছে বলে খবর আসে। পুলিশের দল সেখানে পৌঁছেই দেখতে পায়, গাড়ির ভিতরে তরুণী রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন, দেখা যায় তিনি মারা গিয়েছেন। আর তাঁর সঙ্গী তখনও সাহায্যের জন্য চিৎকার করছিলেন।” পুলিশ জানায়, গুরুতর জখম সোহেলকে গোমতী জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় পথেই তাঁর মৃত্যু হয়।
ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২০ মিটার দূরে পড়ে থাকা পিস্তলটি উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ আধিকারিকের কথায়, “প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে, প্রথমে প্রেমিকই প্রেমিকাকে গুলি করে খুন করেন। তারপর একই অস্ত্র দিয়ে নিজের ওপর গুলি চালিয়েছেন। তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তৃতীয় কারও জড়িত থাকার সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে প্রায় নিশ্চিত যে, ঘটনাটি প্রেমঘটিত কারণেই ঘটেছে।”
এদিকে আলাদা একটি ঘটনায় ভয়াবহ উত্তেজনা ছড়াল ছত্তীসগড়ের বিলাসপুরে। অটল আবাস কলোনির একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার হল বিবাহিত দম্পতির দেহ। শুরুতে মনে হয়েছিল, হয়তো কোনও দাম্পত্য কলহ। পরে দৃশ্য দেখে পুলিশও হতবাক হয় দেয়ালে লিপস্টিক দিয়ে লেখা বার্তা দেখে। তাতে রয়েছে সন্দেহে ভরা অভিযোগ, হতাশার কথা, সঙ্গে মিলল একটি সুইসাইড নোট। ফলে ঘটনাটিকে ‘মার্ডার–সুইসাইড’ মামলা ধরে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশের সন্দেহ, স্ত্রী শিবানি তাম্বে ওরফে নেহার সঙ্গে অন্য এক পুরুষের ঘনিষ্ঠতার সন্দেহেই তাকে খুন করেন রাজ তাম্বে। তারপর আত্মঘাতী হন তিনিই। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার। পুলিশ ঘরে ঢুকে দেখে ৩০ বছরের শিবানি বিছানায় মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন। আর তাঁর স্বামী রাজ তাম্বে ঝুলছেন ঘরের সিলিং ফ্যান থেকে, এমনটাই জানিয়েছে এনডিটিভি।
ঘরের দেওয়ালে লিপস্টিক দিয়ে যেসব বার্তা লেখা ছিল, সেগুলি ছিল অভিযোগে, যন্ত্রণায়, এবং তীব্র হতাশায় ভরা বলে জানিয়েছে পুলিশ।