ভারতীয় সেনাবাহিনীর (Indian Army) কাছে পাকিস্তানের (Pakistan) কোনও এলাকাই অধরা নয়। পাক সেনা সদর দফতর রাওয়ালপিন্ডি থেকে সরালেও লাভ নেই, কারণ গোটা দেশটাই ভারতের (India) আঘাত হানার পরিসরের মধ্যে রয়েছে বলে সাফ বার্তা দিলেন সেনাবাহিনীর শীর্ষকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুমের ইভান ডি’কুনহা।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 20 May 2025 10:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতীয় সেনাবাহিনীর (Indian Army) কাছে পাকিস্তানের (Pakistan) কোনও এলাকাই অধরা নয়। পাক সেনা সদর দফতর রাওয়ালপিন্ডি থেকে সরালেও লাভ নেই, কারণ গোটা দেশটাই ভারতের (India) আঘাত হানার পরিসরের মধ্যে রয়েছে বলে সাফ বার্তা দিলেন সেনাবাহিনীর শীর্ষকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুমের ইভান ডি’কুনহা।
সোমবার এএনআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সেনা এয়ার ডিফেন্সের ডিজি ডি’কুনহা বলেন, “ভারতের অস্ত্রভাণ্ডারে যথেষ্ট পরিমাণে সামর্থ্য রয়েছে, যাতে পাকিস্তানের যে কোনও অঞ্চলে আঘাত হানা যায়। তারা সেনা সদর সরিয়ে খাইবার পাখতুনখাওয়ায় নিয়ে গেলেও, কোনও লাভ নেই। পাকিস্তানের সর্বত্র আমরা পৌঁছতে পারি। পুরো দেশটাই আমাদের রেঞ্জে।”
ডি’কুনহা আরও বলেন, সম্প্রতি ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার সময়ে পাকিস্তান চারদিনে প্রায় ৮০০ থেকে ১০০০ অস্ত্রসজ্জিত ড্রোন পাঠিয়েছিল ভারতের সীমান্তে। সেনা, নৌ ও বায়ুসেনার সমন্বয়ে সবক’টি ড্রোন সফলভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।
ডি’কুনহার কথায়, “এই ড্রোনগুলি সাধারণ নাগরিকদের লক্ষ্য করে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু আমরা নিশ্চিত করেছি যাতে কোনও সাধারণ নাগরিক ক্ষতিগ্রস্ত না হন। বাস্তবে তা-ই হয়েছে, কোনও সাধারণ মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।”
৭ মে ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ শুরু করে, পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদী ঘাঁটি লক্ষ্য করে আক্রমণ চালানো হয়। কারণ, তার আগে কাশ্মীরের পাহেলগামে পাকিস্তান-প্রশিক্ষিত জঙ্গিদের হামলায় মৃত্যু হয় ২৬ জন নিরীহ মানুষের।
পাল্টা হামলায় পাকিস্তান সীমান্তবর্তী শহরে ড্রোন ও গুলির আক্রমণ চালায়। ভারতের প্রতিক্রিয়া আরও কড়া হয়। একাধিক পাক সেনা ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, রাওয়ালপিন্ডির গভীর অংশেও আঘাত হেনেছে ভারত।
এই অভিযানের সাফল্যের পেছনে দেশীয় প্রযুক্তি, দীর্ঘ পাল্লার ড্রোন ও নির্ভুল নির্দেশিত মারণাস্ত্র ব্যবহারকেই কৃতিত্ব দিচ্ছে সেনা। পরবর্তী পরিস্থিতিতে পাকিস্তানই যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ নেয়। দুই দেশের মধ্যে ১০ মে থেকে যুদ্ধবিরতি চালু হয়েছে, এবং এখনও পর্যন্ত তা বজায় রয়েছে।