‘বাঘে-হরিণে খানা একসাথে খাবে না...।‘ প্রচলিত লোকসঙ্গীতের প্রাচীন এই পংক্তিকে মিথ্যা প্রমাণ করে দিলেন তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ, জুন মালিয়া ও মহুয়া মৈত্ররা।

‘বার্থ ডে গার্ল’ মহিমাকুমারী মেওয়ারকে হ্যাপি বার্থ ডে টু ইউ জিঙ্গল গেয়ে শোনালেন।
শেষ আপডেট: 22 July 2025 17:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ‘বাঘে-হরিণে খানা একসাথে খাবে না...।‘ প্রচলিত লোকসঙ্গীতের প্রাচীন এই পংক্তিকে মিথ্যা প্রমাণ করে দিলেন তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ, জুন মালিয়া ও মহুয়া মৈত্ররা। সংসদের ভিতরে ও বাইরে যখন বিভিন্ন ইস্যুতে বিরোধীরা উত্তাল, তখন বিজেপিরই এক মহিলা এমপির ছিমছাম আনন্দে ভরা জন্মদিন পালন করলেন মহুয়া, জুন ও সায়নীরা। একই টেবিলে বসে তালি দিয়ে ৫৩ বছরের ‘বার্থ ডে গার্ল’ মহিমাকুমারী মেওয়ারকে হ্যাপি বার্থ ডে টু ইউ জিঙ্গল গেয়ে শোনালেন বিজেপির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ রাষ্ট্রমন্ত্রী অনুপ্রিয়া প্যাটেলও।
মঙ্গলবার সংসদের ক্যান্টিনে এমনই বন্ধুত্বপূর্ণ ও সৌজন্যের নজির নিজের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। যে মহুয়া কথায় কথায় বিজেপি ও মোদীকে বেঁধেন, তিনিই আনন্দঘন ছবি তুললেন নিজের মোবাইল ক্যামেরায়। ছবিতে দেখা গিয়েছে, ছোট্ট একটি টেবিলের চারধারে বসে রয়েছেন বার্থ ডে গার্ল রাজস্থানের রাজসমন্ডের সাংসদ মহিমাকুমারী মেওয়ার। মহিমাকুমারী হলেন রাজরক্তের মেয়ে এবং রাজপুত রাজবধূ। তাঁর বাবা ছিলেন মধ্যপ্রদেশের পঞ্চকোটের মহারাজ জগদীশ্বেরী প্রসাদ সিং দেও। এবং মায়ের নাম রাজমাতা বিদ্যাদেবী। তিনিও বান্দি তালুকদারির রাজপরিবারের কন্যা। মহিমার বিয়ে হয়েছে উদয়পুরের মহারানা বিশ্বরাজ সিং মেওয়ারের সঙ্গে।
এদিন দুপুরে লাঞ্চ ব্রেকের সময় মহিমাকুমারীকে পাশে বসিয়ে তিন তৃণমূল মহিলা সাংসদ ও একজন বিজেপির মহিলা মন্ত্রী অনুপ্রিয়া জন্মদিন পালন করেন তাঁর। সঙ্গে গাওয়া হয় বার্থ ডে-র গান। হাসিমুখে একমাথা ঘোমটা টানা রাজবধূ তা উপভোগও করেন সহাস্যে। আশপাশে বসে থাকা অন্য সাংসদরাও জিঙ্গলের শেষে হাততালি দিয়ে জন্মদিনের অভিনন্দন জানান মহিমাকে। মহিমা হাতজোড় করে সকলকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন।
Happy birthday dear @BjpMahimakumari all happiness and love ! @AnupriyaSPatel @MaliahJune pic.twitter.com/DL2nVaeNpl
— Mahua Moitra (@MahuaMoitra) July 22, 2025
অন্যদিকে, এনসিপি নেত্রী তথা শারদ পাওয়ার কন্যা সাংসদ সুপ্রিয়া সুলেও একটি এক্সবার্তায় সকালেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মেওয়ারের রাজবধূকে। সব মিলিয়ে ছেদো রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে সৌজন্য ও বন্ধুত্বের এক বিরল মুহূর্তের সাক্ষী থাকল সংসদের ক্যান্টিন। যা দেখে নেটপাড়ায় ধন্য ধন্য পড়ে গিয়েছে।