Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

দিল্লি দাঙ্গা মামলায় স্বস্তি পাঁচ অভিযুক্তের, উমর খালিদ ও শারজিল ইমামের জামিন আটকে গেল কেন?

জামিন পেয়েছেন গুলফিশা ফাতিমা, মীরান হায়দার, শিফা উর রহমান, মহম্মদ সেলিম খান এবং শাদাব আহমেদ।

দিল্লি দাঙ্গা মামলায় স্বস্তি পাঁচ অভিযুক্তের, উমর খালিদ ও শারজিল ইমামের জামিন আটকে গেল কেন?

পৃথা ঘোষ

শেষ আপডেট: 5 January 2026 12:08

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০২০ সালের দিল্লি দাঙ্গা সংক্রান্ত ষড়যন্ত্র মামলায় (Delhi riots conspiracy case) সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) জামিন চেয়ে আবেদন (bail plea) করেছিলেন সমাজকর্মী উমর খালিদ (Umar Khalid) এবং শারজিল ইমাম (Sharjeel Imam)। সেই আবেদন সরাসরি খারিজ করল দেশের শীর্ষ আদালত। সোমবার সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই মামলায় মানবাধিকার বা দীর্ঘদিন বিচারাধীন থাকার যুক্তির চেয়ে জাতীয় নিরাপত্তা (national security) ও জনশৃঙ্খলার বিষয়টি বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

তবে উল্লেখযোগ্যভাবে একই মামলায় অভিযুক্ত আরও পাঁচ জনকে স্বস্তি দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত (Supreme Court bail)। জামিন পেয়েছেন গুলফিশা ফাতিমা, মীরান হায়দার, শিফা উর রহমান, মহম্মদ সেলিম খান এবং শাদাব আহমেদ।

এই মামলার শুনানি চলাকালীন বিচারপতি অরবিন্দ কুমার এবং এন ভি অঞ্জারিয়া-র ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, উমর খালিদ ও শারজিল ইমামের বিরুদ্ধে এমন পর্যাপ্ত নথি ও তথ্য আদালতের সামনে পেশ করা হয়েছে, যা থেকে তাঁদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ, সেই অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে যুক্ত থাকার ইঙ্গিত স্পষ্টভাবে পাওয়া যায়। সেই কারণেই প্রাক-বিচার পর্যায়ে তাঁদের জামিন দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দেয় আদালত।

উল্লেখযোগ্যভাবে, গত ১০ ডিসেম্বর এই মামলায় অভিযুক্তদের আলাদা আলাদা আবেদন শুনে রায় সংরক্ষণ করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। অভিযুক্তরা দিল্লি হাইকোর্টের সেই রায়ের বিরোধিতা করে শীর্ষ আদালতে গিয়েছিলেন, যেখানে গত ২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট এই ষড়যন্ত্র মামলায় তাঁদের জামিন দিতে অস্বীকার করেছিল।

সুপ্রিম কোর্টে এই মামলায় দিল্লি পুলিশের পক্ষে সওয়াল করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা এবং অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এস ভি রাজু। অন্যদিকে অভিযুক্তদের হয়ে আদালতে উপস্থিত ছিলেন একাধিক প্রবীণ আইনজীবী - যাঁদের মধ্যে রয়েছেন কপিল সিব্বল, অভিষেক সিংভি, সিদ্ধার্থ দাভে, সলমন খুরশিদ এবং সিদ্ধার্থ লুথরা।

জামিনের বিরোধিতা করে দিল্লি পুলিশ আদালতে দাবি করে, উত্তর-পূর্ব দিল্লির হিংসা কোনওভাবেই স্বতঃস্ফূর্ত ছিল না। পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, ওই হিংসা ছিল একটি ‘পূর্বপরিকল্পিত ও সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র’, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল ভারতের সার্বভৌমত্বকে ক্ষুণ্ণ করা।

প্রসিকিউশনের আরও দাবি, এই মামলার সব অভিযুক্ত একটি সম্মিলিত পরিকল্পনার অংশ ছিলেন। ফলে আইন অনুযায়ী, একজন অভিযুক্তের কাজের দায় অন্য অভিযুক্তদের উপরও বর্তায়। এই যুক্তির ভিত্তিতেই উমর খালিদ ও শারজিল ইমামের জামিনের তীব্র বিরোধিতা করে দিল্লি পুলিশ।


```