দীর্ঘ কয়েক দশক রাষ্ট্রীয় জনতা দলের সুপ্রিমো লালুপ্রসাদ যাদবদের প্রায় পৈতৃক সম্পত্তিতে পরিণত হয়ে যাওয়া সরকারি বাংলো ছাড়া করার নোটিস পৌঁছেছে লালু-পত্নী প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাবড়ি দেবীর হাতে।

রাবড়ি দেবী ১০ নম্বর সার্কুলার রোডের বাংলোয় সংসার নিয়ে ছিলেন।
শেষ আপডেট: 26 November 2025 12:57
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিহারে ভোট এবং মন্ত্রিসভা গঠনের পরপরই ঘরছাড়া করার নোটিস ‘গরিবোঁ কা মসিহাঁ’ যাদব পরিবারকে। দীর্ঘ কয়েক দশক রাষ্ট্রীয় জনতা দলের সুপ্রিমো লালুপ্রসাদ যাদবদের প্রায় পৈতৃক সম্পত্তিতে পরিণত হয়ে যাওয়া সরকারি বাংলো ছাড়া করার নোটিস পৌঁছেছে লালু-পত্নী প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাবড়ি দেবীর হাতে।
আর এ নিয়েই বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ফিরে আসা জেডিইউ-বিজেপি জোট সরকারের সঙ্গে বাগযুদ্ধ বেধে গিয়েছে লালু-রাবড়ির পরিবারের। মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন রাবড়ি দেবী ১০ নম্বর সার্কুলার রোডের বাংলোয় সংসার নিয়ে ছিলেন। সেই বাংলোই ছেড়ে দেওয়ার নোটিস দিয়েছে নবনির্বাচিত সরকার। শুধু রাবড়ি দেবীই নন, সব বিধায়ক ও প্রাক্তন বিধায়কদের তাঁদের আস্তানা ছাড়ার নোটিস দেওয়া হয়েছে।
১০ নম্বর সার্কুলার রোডের বাংলোয় লালু পরিবার বাস করেন প্রায় ২০ বছর ধরে। এককালে এই বাড়িই ছিল বিহারি রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু। আরেকটি বাংলোয় থাকেন লালুপুত্র তেজপ্রতাপ যাদব। ২৬ এম স্ট্র্যান্ড রোডের সেই বাংলোও ছেড়ে দিতে বলা হয়েছে তাঁকে। তবে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হল লালুপ্রসাদের ঠিকানা বদলের নোটিস। পাটনার একেবারে বুকের উপর সিভিল লাইন্স এলাকায় রয়েছে বাংলোটি।
ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ ধাঁচের এই প্রাসাদটিতে রয়েছে বিশাল এক বাগান। বিরাট উঁচু পাঁচিল। অনেকগুলি বিরাট বিরাট ঘর। প্রচুর দামি দামি আসবাব। একসময় এই বাড়ি থেকেই চলত আরজেডি। এই বাংলোর লাগোয়াই রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি। রাবড়ি দেবী এই বাংলোয় থাকতেন বিরোধী দলনেত্রীর পদমর্যাদায়। কিন্তু, এখন তিনি আর যেহেতু ওই পদে নেই, তাই তাঁকে খালি করে বলে দেওয়া হয়েছে বাড়ি।
নতুন সরকার লালু-রাবড়িকে হার্ডিঞ্জ রোডের ৩৯ নম্বর বাংলো অনুমোদন করেছে। তেজস্বী যাদবের অবশ্য একটি সরকারি বাংলো রয়েছে ১ নম্বর পোলো রোডে, যেখানেই রয়েছে তাঁর দফতরও।