লাদাখকে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা এবং ষষ্ঠ তফসিলের অন্তর্ভুক্তির দাবিতে পরিবেশ ও অধিকার কর্মী সোনম ওয়াংচুক বিগত কয়েক বছর ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন।

শেষ আপডেট: 3 October 2025 10:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সুপ্রিম কোর্টের দারস্থ হয়েছেন লাদাখের অধিকার তথা পরিবেশ সংগঠক সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি। স্বামীর মুক্তির দাবি জানিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন কেন সোনামকে জাতীয় নিরাপত্তা আইন এবং সন্ত্রাস দমন আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গত সপ্তাহে সোনমকে লাদাখ থেকে গ্রেফতার করে যোধপুরের কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। তার মুক্তির দাবিতে দেশব্যাপী মানবাধিকার সংগঠন এবং রাজনৈতিক দলগুলি সরব হয়েছে।
অন্যদিকে, জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনএসএ এবং লাদাখ পুলিশ সোনমের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার অভিযোগ এনেছে তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআরে। বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনুসের সঙ্গেও সুনামের একটি ছবি সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল করে দেওয়া হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার চলছে ইউনুসের সঙ্গেও সোনমের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত যোগাযোগ ছিল।
সুপ্রিম কোর্টে সোনম পত্নী অভিযোগ করেছেন তাঁর স্বামীকে পরিকল্পনা করে দেশবিরোধী তকমা দেওয়া হচ্ছে। তিনি গোপনে পাকিস্তানে যাননি। ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে পরিবেশ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক আলোচনায় অংশ নিতে গিয়েছিলেন।
লাদাখকে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা এবং ষষ্ঠ তফসিলের অন্তর্ভুক্তির দাবিতে পরিবেশ ও অধিকার কর্মী সোনম ওয়াংচুক বিগত কয়েক বছর ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। গত ২৪ সেপ্টেম্বর সেই আন্দোলন হিংসার রূপ নেয়। নিরাপত্তার আধিকারিকদের গুলিতে চারজন নিহত হন। কেন্দ্রীয় সরকারের অভিযোগ ওই ঘটনার পেছনে ইন্ধন জুগিয়েছেন সোনম। হিংসা ছড়িয়ে পড়লে তিনি গ্রামের বাড়ি চলে গিয়েছিলেন।
লাদা পুলিশের প্রধান এসডি সিং সম্প্রতি অভিযোগ করেন তারা একজন পাকিস্তানি গুপ্তচরকে গ্রেফতার করেছে যে কিনা সীমান্তে সুনামের আন্দোলনের ভিডিও প্রচার করে জনমত তৈরি করছিল এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টে দাখিল করা মামলায় প্রশ্ন তুলেছেন যদি পুলিশ পাকিস্তানে গুপ্তচরকে গ্রেফতার করে থাকে তাহলে সীমান্তরক্ষী বাহিনী জবাব দিক কী করে একজন বিদেশি ভারতে প্রবেশ করে এই কাজ করতে পারল। সোনম পত্নী মামলায় বলেছেন তার স্বামী স্থানীয় মানুষের দাবিতে আন্দোলন করছেন এর সঙ্গে পাকিস্তানের কোনও সম্পর্ক নেই।