বার্তায় ওয়াংচুক বলেছেন, “যতক্ষণ না স্বাধীন বিচার বিভাগীয় তদন্ত শুরু হচ্ছে, ততক্ষণ আমি জেলেই থাকতে প্রস্তুত।”
.jpeg.webp)
শেষ আপডেট: 5 October 2025 16:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লাদাখে (Ladakh protest) রাজ্যের মর্যাদা পুনর্বহাল ও ষষ্ঠ তফসিল বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভে ৪ জনের মৃত্যু ঘিরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি (Leh violence)। ওই ঘটনার স্বাধীন বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি তুলেছেন শিক্ষাবিদ ও পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক (Sonam Wangchuk)। বর্তমানে তিনি ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট (NSA)-এর অধীনে জোধপুর সেন্ট্রাল জেলে বন্দি।
শনিবার তাঁর ভাই কা সেতান দর্জে লে এবং আইনজীবী মুস্তাফা হাজি জোধপুর জেলে গিয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তারপরই ওয়াংচুকের বার্তা সংবাদমাধ্যমে জানান।
বার্তায় ওয়াংচুক বলেছেন, “যতক্ষণ না স্বাধীন বিচার বিভাগীয় তদন্ত শুরু হচ্ছে, ততক্ষণ আমি জেলেই থাকতে প্রস্তুত।”
তিনি লাদাখের মানুষকে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “গান্ধীয় অহিংস পথেই আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। লাদাখবাসীরা যেন ঐক্যবদ্ধ থেকে শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের দাবি তুলে ধরেন।”
২৪ সেপ্টেম্বর লেহ-তে রাজ্যের মর্যাদা ফেরানো ও ষষ্ঠ তফসিল কার্যকর করার দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ হঠাৎই সহিংস হয়ে ওঠে। তাতে প্রাক্তন সেনা-সহ ৪ জনের মৃত্যু হয়। সেই ঘটনারই স্বচ্ছ তদন্ত চান ওয়াংচুক।
শিক্ষা ও পরিবেশ উন্নয়নে কাজের জন্য র্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কারপ্রাপ্ত ওয়াংচুক স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি লেহ অ্যাপেক্স বডি ও কারগিল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (KDA)-এর দাবির সঙ্গে একাত্ম। তাঁর কথায়, “লাদাখের স্বার্থে অ্যাপেক্স বডি যা কিছু পদক্ষেপ নেবে, আমি তাদের পাশে আছি, সম্পূর্ণভাবে।”
এক চিঠিতে ওয়াংচুক লেখেন, “আমি শারীরিক ও মানসিকভাবে ভাল আছি। যাঁরা উদ্বিগ্ন, তাঁদের ধন্যবাদ জানাই। যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি, আহত ও আটক ব্যক্তিদের জন্য আমার প্রার্থনা রইল।”
উল্লেখ্য, লেহ অ্যাপেক্স বডি ও KDA ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সঙ্গে ৬ অক্টোবরের বৈঠক থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। তাদের দাবি, চারজন নিহতের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও সকল আটক ব্যক্তির, সহ ওয়াংচুকের, নিঃশর্ত মুক্তি।
আগামী সোমবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানি হবে ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি জে আংমোর দাখিল করা আবেদনের, যেখানে তাঁর আটকাদেশকে 'অবৈধ ও অসাংবিধানিক' বলে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে।