Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!

বিহারের পর কি এবার দিল্লিতে এসআইআর? প্রস্তুতি শুরু হয়েছে রাজধানীতে, তবে কমিশন 'চুপ'

জল্পনা শুরু হয়েছে, এ বছর শেষ হওয়ার আগেই হয়তো গোটা দেশজুড়ে এই বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়া চালু হতে পারে। একই সঙ্গে এও খবর, ধাপে ধাপে কীভাবে সংশোধন প্রক্রিয়া চলবে, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। যদিও নির্বাচন কমিশন এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি বা এই বিষয়ে কিছু জানায়নি।

বিহারের পর কি এবার দিল্লিতে এসআইআর? প্রস্তুতি শুরু হয়েছে রাজধানীতে, তবে কমিশন 'চুপ'

ফাইল ছবি

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 15 September 2025 23:50

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশের রাজধানী দিল্লিতেও (New Delhi) কি এবার এসআইআর (SIR)? জল্পনা বৃদ্ধি পাচ্ছে কারণ সূত্র মারফৎ জানা গেছে, সেখানেও শুরু হয়েছে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (Special Intensive Revision বা SIR) প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি। যদিও এখনও সরকারি ভাবে কোনও তারিখ ঘোষণা হয়নি, তবে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) নির্দেশে প্রাথমিক কাজকর্ম জোরকদমে চলছে।

ইতিমধ্যে জানা গেছে, নির্বাচনী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, পাশাপাশি রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে (CEO Office) শূন্যপদ পূরণও শুরু হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা সর্বভারতীয় এক সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, তাঁদের কাছে যখনই নির্দেশ আসুক, তাঁরা প্রস্তুত থাকতে চান। তাই আগেই সমস্ত রকম কাগজপত্রের কাজ সামলাতে বুথ লেভেল অফিসারদের (BLO) প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ভোটকেন্দ্রের সংখ্যাও যৌক্তিকভাবে পুনর্নির্ধারণ করা হচ্ছে।

জল্পনা শুরু হয়েছে, এ বছর শেষ হওয়ার আগেই হয়তো গোটা দেশজুড়ে এই বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়া চালু হতে পারে। একই সঙ্গে এও খবর, ধাপে ধাপে কীভাবে সংশোধন প্রক্রিয়া চলবে, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। যদিও নির্বাচন কমিশন এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি বা এই বিষয়ে কিছু জানায়নি।

উল্লেখযোগ্যভাবে, গত জুলাই মাসে ২০০৮ সালের এসআইআর সংক্রান্ত তথ্য দিল্লির মুখ্য নির্বাচনী অফিসারের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হওয়ায় জল্পনা আরও ঘনীভূত হয়েছে। বিশেষ করে বিহার বিধানসভা ভোটের আগে এই বিষয়টি বড় রাজনৈতিক বিতর্কে পরিণত হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, বিজেপির নির্দেশে নির্বাচন কমিশন কাজ করছে। কেন্দ্র অবশ্য এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেছে, নাগরিক নন এমন কেউ ভোটাধিকার পেতে পারেন না। তাই এই ব্যবস্থা।

বিষয়টি ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। কমিশন চূড়ান্ত রায় না আসা পর্যন্ত নির্দিষ্ট সময়সূচি ঘোষণা করতে চাইছে না বলে সূত্রের খবর। তবে অন্তত পাঁচজন দায়িত্বশীল আধিকারিক ইঙ্গিত দিয়েছেন, চলতি বছর শেষের আগেই বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার ঘোষণার সম্ভাবনা প্রবল।

বিহারে এসআইআর নিয়ে বিতর্ক কিছু কম হয়নি। যদিও সুপ্রিম কোর্ট তাতে কোনও বাঁধা দেয়নি তবে সোমবারই কড়া নির্দেশ দিয়েছে। শীর্ষ আদালত স্পষ্টত জানিয়েছে, যদি নির্বাচনী কমিশনের গৃহীত পদ্ধতিতে কোনও রকম অসঙ্গতি পাওয়া যায়, তবে পুরো প্রক্রিয়াটিই বাতিল করে দেওয়া হবে।

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সুর্যকান্ত এবং জয়মাল্য বাগচির বেঞ্চ এদিন এই পর্যবেক্ষণ করে। আদালত স্পষ্ট করেছে, আপাতত তারা ধরে নিচ্ছে যে, নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আইন এবং বাধ্যতামূলক নিয়ম মেনেই কাজ করছে। তবে কোনও গাফিলতি বা বেআইনি পদক্ষেপ সামনে এলে সংশোধন প্রক্রিয়া মান্যতা পাবে না।

শুধু তাই নয়, শীর্ষ আদালত আজ এও জানিয়েছে, বিহারের এসআইআর মামলায় টুকরো টুকরো করে নানারকম মতামত তারা এখনই দিতে রাজি নয়। কারণ এই মামলার রায় শুধুমাত্র বিহারের জন্য নয়, সারা দেশের নির্বাচনী তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ার উপরেই প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় হবে সর্বভারতীয় প্রেক্ষাপটে। এই মামলার চূড়ান্ত শুনানি আগামী ৭ অক্টোবর। সব ঠিক থাকলে, সেদিনই বিশেষ রিভিশন প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে আদালত চূড়ান্ত রায় দেবে।


```