Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
জিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে!কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়েরSupreme Court DA: ডিএ নিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি, বুধবার রাজ্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্টনির্বাচকদের শর্টলিস্টে বৈভব! আয়ারল্যান্ড সফরে যাওয়ার জোর সম্ভাবনা, ভাঙতে পারেন সচিনের রেকর্ড

জঙ্গলে ছাগল চরাতে গিয়ে নির্যাতিতা মহিলা! ২০ দিনে এনিয়ে সাত নম্বর বার ধর্ষণ ওড়িশায়

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের পরিচিতই ছিলেন নির্যাতিতা। ফলে প্রথমে সন্দেহ করেননি তিনি।

জঙ্গলে ছাগল চরাতে গিয়ে নির্যাতিতা মহিলা! ২০ দিনে এনিয়ে সাত নম্বর বার ধর্ষণ ওড়িশায়

প্রতীকী ছবি

শেষ আপডেট: 2 July 2025 16:45

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ওড়িশায় ফের এক মহিলাকে গণধর্ষণের উঠল অভিযোগ। গত ২০ দিনের মধ্যে এই নিয়ে সপ্তম ঘটনা। একের পর এক ধর্ষণের ঘটনায় গোটা রাজ্যজুড়ে ছড়িয়েছে উদ্বেগ, প্রশ্ন উঠছে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে।

মঙ্গলবার অর্থাৎ গতকাল এক মহিলা ছাগল চরাতে গিয়েছিলেন ওড়িশার বালুখাই জঙ্গলের কাছে। সেখানে তাঁকে ভজমান ভুঁইয়া ও সনন্দ পিহু নামের দু'জন চেপে ধরেন বলে অভিযোগ। । তারপর জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে মহিলাকে ধর্ষণ করা হয়। পরে নির্যাতিতা নিজেই থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে ব্যারি থানার পুলিশ। ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক অনসূমালা দাস জানিয়েছেন, 'নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা তৎপরতার সঙ্গে অভিযুক্তদের ধরেছি। ঘটনাটি বালুমারা জঙ্গলের কাছে ঘটেছে।'

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের পরিচিতই ছিলেন নির্যাতিতা। ফলে প্রথমে সন্দেহ করেননি তিনি। কিন্তু পরে সব বুঝতে পারেলও নিজেকে বাঁচাতে পারেননি। 

গত ১৫ জুনের পর থেকে লাগাতার ধর্ষণ ও গণধর্ষণের ঘটনা হয়েছে ওড়িশার বিভিন্ন প্রান্তে। ১৫ জুন, গোপালপুর সমুদ্র সৈকতে এক কলেজ ছাত্রীকে গণধর্ষণ করা হয়। গ্রেফতার হন ১০ জন। ১৮ জুন, কেঁওঝড় জেলায় ১৭ বছরের এক কিশোরীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার। পরিবারের দাবি, ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। দেহে আঘাতের চিহ্ন ছিল। ১৯ জুন, ময়ূরভঞ্জ জেলায় চার যুবকের বিরুদ্ধে ৩১ বছরের এক মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। ২৫ জুন, গঞ্জামে এক ক্লিনিকের মালিকের (ডাক্তার হিসেবে নিজের পরিচয় দিতেন) বিরুদ্ধে ১৭ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। ২৮ জুন, গঞ্জামেই ফের, সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে তাঁর এক আত্মীয়র বিরুদ্ধে। অভিযুক্তর বয়স মাত্র ২২, ইতিমধ্যেই তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এইসব ঘটনার পরও প্রশাসনের তরফে কোনও জোরদার বার্তা এখনও পর্যন্ত চোখে পড়েনি বলে অভিযোগ করছে সাধারণ মানুষ। রাজ্যজুড়ে ক্রমবর্ধমান এই যৌন হেনস্থার ঘটনায় উদ্বেগে মহিলা ও শিশুকল্যাণ সংস্থাগুলিও। কড়া শাস্তি ও দ্রুত বিচার না হলে এই সন্ত্রাস থামবে না বলেই মনে করছেন তাঁরা।


```