এমন কোনও তথ্য মেলেনি যাতে এটা বলা সম্ভব যে, ওই কার্তুজ কর্তব্যরত বাহিনীর কারও। এটিও নিশ্চিত করেছে তদন্তকারী দল।

বিস্ফোরণস্থল থেকে উদ্ধার ৯ মিমি কার্তুজ
শেষ আপডেট: 16 November 2025 11:41
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লালকেল্লার কাছে ভয়াবহ গাড়ি বিস্ফোরণের (Delhi Red Fort blast) ঘটনা কাঁপিয়ে দিয়েছে গোটা দেশকে। এবার সেই ঘটনায় এক নতুন তথ্য পেল (new information in Delhi blast) দিল্লি পুলিশ (Delhi Police), মনে করা হচ্ছে তা তদন্তের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।
তদন্তকারী সূত্রের দাবি, বিস্ফোরণস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে ৯ মিমি কার্তুজের (9mm cartridges) তিনটি নমুনা। এর মধ্যে দুটি লাইভ রাউন্ড এবং একটি খালি শেল। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, তা কেবলমাত্র ব্যবহার হয় সেনাবাহিনী ও নিরাপত্তাবাহিনীতেই। তবে ঘটনাস্থল থেকে কোনও আগ্নেয়াস্ত্র বা অস্ত্রাংশ পাওয়া যায়নি। ফলে এই কার্তুজগুলি সেখানে কীভাবে এল, তা নিয়ে উঠছে নতুন প্রশ্ন। ঘনাচ্ছে নতুন জল্পনা।
ঘটনাস্থলে ডিউটিতে থাকা পুলিশ কর্মীদের অস্ত্রের গোলাবারুদও খতিয়ে দেখা হয়েছে। কিন্তু এমন কোনও তথ্য মেলেনি যাতে এটা বলা সম্ভব যে, ওই কার্তুজ কর্তব্যরত বাহিনীর কারও। এটিও নিশ্চিত করেছে তদন্তকারী দল।
এদিকে তদন্তকারীরা প্রাথমিক অভিযুক্ত ডাঃ উমর নবির পুরো রুটম্যাপ হাতে পেয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, ৪৩টি সিসিটিভি ফ্রেম পাওয়া গেছে যেখানে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে ফরিদাবাদের বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে তাঁর গাড়ি থেকে লালকেল্লা পর্যন্ত যাত্রাপথের প্রতিটি ধাপ। তদন্তকারী সূত্রের দাবি, দিল্লি–এনসিআর জুড়ে ৫ হাজারেরও বেশি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে এই রুট জোড়া হয়েছে।
বিস্ফোরণস্থল থেকে সংগৃহীত ডিএনএর সঙ্গে উমরের মায়ের ডিএনএ মিলিয়ে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের গেট নম্বর ১–এর কাছে বিস্ফোরণ হয়েছিল। ফরেন্সিক রিপোর্ট বলছে, গাড়িতে ৩০–৪০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ছিল। তবে ঘটনাস্থলে পাওয়া অন্তত একটি নমুনায় দেখা গেছে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের থেকেও বেশি শক্তিশালী বিস্ফোরক উপাদান ব্যবহার করা হয়েছিল।
এফএসএল দল ঘটনাস্থল থেকে ৪০টিরও বেশি প্রমাণ হিসেবে কার্তুজ, লাইভ রাউন্ড, বিস্ফোরকের অবশিষ্টাংশ উদ্ধার করেছে।