প্রধানমন্ত্রীর দফতর পিএমও (PMO) এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছে, 'এই ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক। এই কঠিন সময়ে ভুক্তভোগী পরিবারগুলির প্রতি আমার সমবেদনা রইল। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। প্রশাসন সর্বতোভাবে সাহায্য করছে।'

ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 25 July 2025 13:27
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজস্থানে স্কুল-বিপর্যয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। এখনও পর্যন্ত ৭ জন পড়ুয়ার প্রাণহানির খবর সামনে এসেছে। দুর্ঘটনায় শোক জানিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দফতর (PMO express grief)। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮ নাগাদ সরকারি স্কুলের ছাদের একাংশ ভেঙে পড়ে (Rajasthan School Building Collapses)। দ্রুত শুরু হয়ে উদ্ধারকাজ। একে একে চাপা পড়ে থাকা দেহগুলি বের করে নিয়ে আসা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর দফতর পিএমও (PMO) এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছে, 'এই ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক। এই কঠিন সময়ে ভুক্তভোগী পরিবারগুলির প্রতি আমার সমবেদনা রইল। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। প্রশাসন সর্বতোভাবে সাহায্য করছে।'
রাজস্থানের শিক্ষামন্ত্রী মদন দিলাওয়ার জানান, তিনি আহত শিশুদের চিকিৎসার সমস্ত ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং পরিবারগুলিকে কোনও সমস্যায় যাতে পড়তে না হয় তা নিশ্চিত করতে বলেছেন। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, "এই ঘটনায় আমি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি। স্কুলের ছাদ ভেঙে পড়ার সঠিক কারণ জানার চেষ্টা চলছে। আমি জেলাশাসকের সঙ্গেও কথা বলেছি এবং দ্রুত পরিস্থিতির পর্যালোচনা ও যথাযথ সাহায্যের নির্দেশ দিয়েছি।"
The mishap at a school in Jhalawar, Rajasthan, is tragic and deeply saddening. My thoughts are with the affected students and their families in this difficult hour. Praying for the speedy recovery of the injured. Authorities are providing all possible assistance to those…
— PMO India (@PMOIndia) July 25, 2025
শুক্রবার সকালে রাজস্থানের ঝালাওয়ার জেলার একটি সরকারি স্কুলের ছাদ ভেঙে পড়ে। ঘটনার সময় স্কুল প্রাঙ্গণে শিক্ষক, কর্মী-সহ প্রায় ৬০ জন ছাত্রছাত্রী উপস্থিত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে অনুমান, একটানা ভারী বৃষ্টির ফলে স্কুলের ছাদ দুর্বল হয়ে পড়েছিল। সেই থেকেই এই দুর্ঘটনা। স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আচমকা জোর শব্দে ভেঙে পড়ে ছাদ। ধুলোয় ঢেকে যায় গোটা এলাকা (Rajasthan School Building Collapses)।
পিপলোদি সরকারি স্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনার ব্যবস্থা আছে। অভিযোগ, বহুদিন ধরেই স্কুল ভবনের খারাপ অবস্থা নিয়ে একাধিকবার জানানো হয়েছিল। তবুও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি।
দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক ও কর্মীদের ধ্বংসস্তূপ থেকে বার করতে সাহায্য করেন তাঁরা। ধ্বংসাবশেষ সরাতে দ্রুত পৌঁছায় প্রশাসনের দল, জেলাশাসক এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। ঘটনাস্থলে চারটি জেসিবি মেশিন আনা হয়।
রাজ্যের শিক্ষাসচিব কৃষ্ণ কুনাল জানান, উদ্ধারকাজ সম্পূর্ণ হয়েছে এবং ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৭ জন শিশুর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক, তাঁরা আইসিইউ-তে ভর্তি রয়েছেন। মৃত এবং আহত সকলেরই বয়স ৮ থেকে ১১ বছরের মধ্যে।
আহত ও উদ্ধার হওয়া শিশুদের মানোহর থানা হাসপাতাল ও পরে ঝালাওয়ারের বড় হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে চিকিৎসার জন্য।