রাজস্থানের নাগৌরে স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের সন্দেহে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। এক যুবক তাঁর খুড়তুতো ভাইকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে গিয়ে খুনের পর মাটির নীচে পুঁতে রাখার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই দেহ উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করেছে।

ছবি সংগৃহীত
শেষ আপডেট: 5 September 2025 13:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্ত্রী’র সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক সন্দেহে খুড়তুতো ভাইকে খুন করলেন এক যুবক। রাজস্থানের ঘটনা।
নাগৌর জেলার ভাওয়ান্ডা এলাকার বাসিন্দা মৃত সোহনরাম (২৯) নিজের খুড়তুতো ভাই মুকেশ গালওয়াকে খুন করে মাটির তলায় পুঁতে দেন নিজের আর্থ মুভিং মেশিন দিয়ে।
পুলিশের দাবি, ২৭ অগস্ট রাতে গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে ভাটনোখা গ্রামে এক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য সোহনরাম মুকেশকে প্রলুব্ধ করে সঙ্গে নিয়ে যান। অনুষ্ঠান শেষে গভীর রাতে ভিড় কমতেই সোহনরাম মুকেশকে ফাঁকা জায়গায় নিয়ে যায়। সেখানেই লোহার রড দিয়ে বারবার মাথায় আঘাত করে খুন করা হয়।
এরপর মৃতদেহ নিয়ে যান নিজের খনিতে। স্থানীয় এক মন্দির থেকে ৬০০-৭০০ মিটার দূরে অবস্থিত সেই খনি এলাকায় ১০ ফুট গভীর একটি গর্ত খুঁড়ে ফেলে। মাঝরাতে তাতেই শুইয়ে দেন দেহ। তারপর মাটি ও পাথর দিয়ে ঢেকে দেয় গর্তটি।
২৯ অগস্ট মুকেশ বাড়ি না ফেরায় তাঁর পরিবার থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করে। তদন্তে নেমে পুলিশের সন্দেহ হয় পরিবারের কেউই খুন করেছেন। আঙুল ওঠে সোহনরামের দিকে। জেরা করতেই খুনের কথা স্বীকার করেন অভিযুক্ত। সোহনরাম জানান, স্ত্রী’র সঙ্গে মুকেশের সম্পর্ক নিয়ে তিনি আঘাত পেয়েছিলেন, তাই এমন সিদ্ধান্ত নেন।
বুধবার পুলিশ সোহনরামকে নিয়ে যায় খনির সেই জায়গায়। তাঁর দেখানো পথেই উদ্ধার হয় দেহ। ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয় মুণ্ডওয়া সরকারি হাসপাতালে। পরে দেহ তুলে দেওয়া হয় পরিবারের হাতে।
পুলিশ ইতিমধ্যেই সোহনরামকে গ্রেফতার করেছে। তাঁর বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।