দিল্লি পাবলিক স্কুল (দ্বারকা) (Delhi Public School, Dwarka) ৩১ জন পড়ুয়ার নাম স্কুলের রেজিস্টার থেকে কেটে দেওয়া হয়। অভিভাবকরা সময়মতো স্কুলের ফি পরিশোধ করতে না পারায় এই সিদ্ধান্ত নেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ।
_0.jpg.webp)
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 6 June 2025 15:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নির্ধারিত সময় ফি না দেওয়ায় ৩১ জন ছাত্রছাত্রীকে স্কুল থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ, এই সংক্রান্ত একটি মামলায় বেসরকারি স্কুলকে (Private School) তীব্র ভৎর্সনা করল দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court)। আদালতের পর্যবেক্ষণ, শিশুদের উপর এই ধরনের আচরণ মানসিক নির্যাতনের (Mental Harassment) সমান এবং এটি তাদের আত্মবিশ্বাসে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।
জানা যায়, দিল্লি পাবলিক স্কুল (দ্বারকা) (Delhi Public School, Dwarka) ৩১ জন পড়ুয়ার নাম স্কুলের রেজিস্টার থেকে কেটে দেওয়া হয়। অভিভাবকরা সময়মতো স্কুলের ফি পরিশোধ করতে না পারায় এই সিদ্ধান্ত নেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ। এমনকি তারা স্কুলে আসলে নিরাপত্তারক্ষীরা ভিতরে ঢুকতে দেয় না বলেও অভিযোগ। অপমান করা হয় অভিভাবকদেরও। এরপরই আদালতের দ্বারস্থ হয় অভিভাবকদের একাংশ। মামলার শুনানিতে স্কুলের তরফে আদালতকে জানানো হয় যে তারা পরে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নিয়েছে এবং ভুক্তভোগী পড়ুয়াদের পুনরায় স্কুলে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এনিয়ে হাইকোর্টের (Delhi High Court) বিচারপতি বলেন, যেহেতু পড়ুয়ারা আবার স্কুলে যাওয়া শুরু করেছে তাই পরিস্থিতি এখন কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে। তবে স্কুলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে হাইকোর্ট। বিচারপতির বেঞ্চ জানায়, 'আর্থিক কারণে একজন শিক্ষার্থীকে জনসমক্ষে অপমান করা, মানসিক নির্যাতনের সমান। এটি শিশুদের মনোবল নষ্ট করে দেয়।'
দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court) আরও বলে, 'আর্থিক খরচ চালাতে অভিভাবকদের থেকে ফি (School Fees) সংগ্রহ করা স্কুলের অধিকার। অভিভাবকরা এই দায় এড়াতে পারে না।' তবে এই প্রক্রিয়ায় কোনওভাবেই স্কুল কর্তৃপক্ষের বাণিজ্যিক মানসিকতা বা লোভ থাকলে চলবে না। স্কুলের উদ্দেশ্য শুধুই অর্থ উপার্জন হতে পারে না। পড়ুয়াদের শিক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের মধ্যে মূল্যবোধ জাগ্রত করে তোলাও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ।