Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: ‘কাছের অনেককে বলেছিলাম, বৈভবকে প্রথম বলে আউট করব!’ কথা দিয়ে কথা রাখলেন প্রফুল্লI PAC-Vinesh Chandel: ভোর পর্যন্ত আদালতে শুনানি, ১০ দিনের ইডি হেফাজতে আইপ্যাক ডিরেক্টর ভিনেশ'নিষিদ্ধ' ভারতীয় গানে প্রয়াত আশা ভোঁসলেকে শেষ শ্রদ্ধা! পাক চ্যানেলকে শোকজ, সমালোচনা দেশের ভিতরেই হরমুজ মার্কিন নৌ অবরোধে কোণঠাসা ইরান! তেল রফতানি প্রায় থমকে, দিনে ক্ষতি ৪৩৫ মিলিয়ন ডলারIPL 2026: আইপিএল অভিষেকে সেরা বোলিং পারফরম্যান্স! কে এই সাকিব হুসেন? ৪৯ লাখের টিকিট থাকা সত্ত্বেও বোর্ডিং বাতিল! বিমান সংস্থার সিইও-র বিরুদ্ধে FIR-এর নির্দেশ আদালতেরশ্রমিকদের বিক্ষোভে অশান্ত নয়ডা! পাক-যোগে ষড়যন্ত্র? তদন্তে পুলিশ, ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩০০ নিজেকে ‘যিশু’ সাজিয়ে পোস্ট! তীব্র বিতর্কের মুখে ছবি মুছলেন ট্রাম্প, সাফাই দিয়ে কী বললেন?IPL 2026: পয়লা ওভারেই ৩ উইকেট, স্বপ্নের আইপিএল অভিষেক! কে এই প্রফুল্ল হিঙ্গে?ইরান-মার্কিন বৈঠক ব্যর্থ নেতানিয়াহুর ফোনে! ট্রাম্পের প্রতিনিধিকে কী এমন বলেছিলেন, খোলসা করলেন নিজেই

বেতন না দিতে পারায় পড়ুয়াদের হেনস্থা! 'মানসিক নির্যাতন' চালাচ্ছে স্কুল, ভর্ৎসনা আদালতের

দিল্লি পাবলিক স্কুল (দ্বারকা) (Delhi Public School, Dwarka) ৩১ জন পড়ুয়ার নাম স্কুলের রেজিস্টার থেকে কেটে দেওয়া হয়। অভিভাবকরা সময়মতো স্কুলের ফি পরিশোধ করতে না পারায় এই সিদ্ধান্ত নেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ। 

বেতন না দিতে পারায় পড়ুয়াদের হেনস্থা! 'মানসিক নির্যাতন' চালাচ্ছে স্কুল, ভর্ৎসনা আদালতের

প্রতীকী ছবি

শেষ আপডেট: 6 June 2025 15:56

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নির্ধারিত সময় ফি না দেওয়ায় ৩১ জন ছাত্রছাত্রীকে স্কুল থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ, এই সংক্রান্ত একটি মামলায় বেসরকারি স্কুলকে (Private School) তীব্র ভৎর্সনা করল দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court)। আদালতের পর্যবেক্ষণ, শিশুদের উপর এই ধরনের আচরণ মানসিক নির্যাতনের (Mental Harassment) সমান এবং এটি তাদের আত্মবিশ্বাসে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। 
 
জানা যায়, দিল্লি পাবলিক স্কুল (দ্বারকা) (Delhi Public School, Dwarka) ৩১ জন পড়ুয়ার নাম স্কুলের রেজিস্টার থেকে কেটে দেওয়া হয়। অভিভাবকরা সময়মতো স্কুলের ফি পরিশোধ করতে না পারায় এই সিদ্ধান্ত নেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ। এমনকি তারা স্কুলে আসলে নিরাপত্তারক্ষীরা ভিতরে ঢুকতে দেয় না বলেও অভিযোগ। অপমান করা হয় অভিভাবকদেরও। এরপরই আদালতের দ্বারস্থ হয় অভিভাবকদের একাংশ। মামলার শুনানিতে স্কুলের তরফে আদালতকে জানানো হয় যে তারা পরে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নিয়েছে এবং ভুক্তভোগী পড়ুয়াদের পুনরায় স্কুলে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এনিয়ে হাইকোর্টের (Delhi High Court) বিচারপতি বলেন, যেহেতু পড়ুয়ারা আবার স্কুলে যাওয়া শুরু করেছে তাই পরিস্থিতি এখন কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে। তবে স্কুলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে হাইকোর্ট। বিচারপতির বেঞ্চ জানায়, 'আর্থিক কারণে একজন শিক্ষার্থীকে জনসমক্ষে অপমান করা, মানসিক নির্যাতনের সমান। এটি শিশুদের মনোবল নষ্ট করে দেয়।'

দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court) আরও বলে, 'আর্থিক খরচ চালাতে অভিভাবকদের থেকে ফি (School Fees) সংগ্রহ করা স্কুলের অধিকার। অভিভাবকরা এই দায় এড়াতে পারে না।' তবে এই প্রক্রিয়ায় কোনওভাবেই স্কুল কর্তৃপক্ষের বাণিজ্যিক মানসিকতা বা লোভ থাকলে চলবে না। স্কুলের উদ্দেশ্য শুধুই অর্থ উপার্জন হতে পারে না। পড়ুয়াদের শিক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের মধ্যে মূল্যবোধ জাগ্রত করে তোলাও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ।   


```