অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত দেশগুলিও নিজেদের দেশ থেকে বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের সরিয়ে দিচ্ছে। অথচ এখানে আদালতের উপর অযথা চাপ তৈরি করা হচ্ছে, যাতে এই অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করা যায়।

অনুপ্রবেশকারীরা দেশের যুবসমাজের অধিকার ও রুজি-রোজগার কেড়ে নিচ্ছে এবং আদিবাসীদের ন্যায্য জমি দখল করে নিচ্ছে।
শেষ আপডেট: 5 February 2026 18:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যসভায় তৃণমূল কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত দেশগুলিও নিজেদের দেশ থেকে বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের সরিয়ে দিচ্ছে। অথচ এখানে আদালতের উপর অযথা চাপ তৈরি করা হচ্ছে, যাতে এই অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করা যায়। এই অনুপ্রবেশকারীরা দেশের যুবসমাজের অধিকার ও রুজি-রোজগার কেড়ে নিচ্ছে এবং আদিবাসীদের ন্যায্য জমি দখল করে নিচ্ছে। অথচ এমন লোকেরাই এসে আমাদের নীতিকথা শোনাচ্ছে— তৃণমূল সুপ্রিমো ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলকে নিশানা করে বলেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সংসদে বিভিন্ন সদস্যের বক্তব্য তিনি শুনছিলেন এবং তাঁর মনে হয়েছে আলোচনার মান আরও অনেক ভালো হতে পারত। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদরা সংসদে বক্তৃতা দিচ্ছেন, অথচ তাঁদের রাজ্যে পরিস্থিতি ভয়াবহ। তারা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের পক্ষ নিচ্ছে, যখন বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত দেশগুলিও নিজেদের দেশ থেকে এদের তাড়িয়ে দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, যুবসমাজ কীভাবে তাদের ক্ষমা করবে, যখন তারা অনুপ্রবেশকারীদের দেশের মানুষের চাকরি কেড়ে নিতে দিচ্ছে।
মোদীর অভিযোগ, এই অনুপ্রবেশকারী বা ‘ঘুসপেটিয়া’রা আদিবাসীদের জমি দখল করছে, যার ফলে হিংসা বাড়ছে এবং মহিলাদের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এদির তাঁর প্রতীক্ষিত ভাষণ দেন রাজ্যসভায়। বিরোধীদের স্লোগান ও ওয়াকআউটের মধ্যেই তিনি বলতে থাকেন। কংগ্রেসের দীর্ঘ শাসনকালকে নিশানা করার পাশাপাশি বিরোধীদের বিরুদ্ধে ‘অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করার’ অভিযোগ তোলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এনডিএ সরকার গত এক দশকে মূলত অতীতের ভুলগুলো সংশোধনের কাজই করেছে।
ভাষণে মোদী বলেন, কংগ্রেস হোক বা তৃণমূল, ডিএমকে কিংবা বাম— এরা সবাই দীর্ঘদিন কেন্দ্রের ক্ষমতায় থেকেছে এবং রাজ্যেও সরকার চালানোর সুযোগ পেয়েছে। কিন্তু এরা শুধু নিজেদের পকেট ভরাতেই ব্যস্ত ছিল, সাধারণ মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনার কোনও আগ্রহ তাদের ছিল না।