পূর্ণাঙ্গ রাজ্যের দাবি লাদাখের মানুষের মধ্যে কতটা জোড়ালো হয়ে উঠেছে বুধবারের আন্দোলনেই তা স্পষ্ট। স্থানীয় প্রশাসন এখন পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেয় সেটাই দেখার।

শেষ আপডেট: 26 September 2025 08:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লাদাখে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত চারজনের একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা জওয়ান (Retired Army personnel)। নিহত চারজনের তিনজনের দেহেই একাধিক বুলেট লেগেছিল৷ গলা ও মাথায় গুলি লাগে তাদের।
বুধবারের হিংসাত্মক প্রতিবাদের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে এই চারজন মারা যান। বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে নিহতদের দেহের ময়নাতদন্ত হয়। সেই রিপোর্ট স্পষ্ট নিরাপত্তা বাহিনী এলোপাতাড়ি গুলি চালানোয় নির্মম মৃত্যু হয়েছে প্রতিবাদকারীদের।
প্রশাসনকে দুটি বিযয় চিন্তায় ফেলেছে৷ নিহত চারজনের তিনজনের বয়সই পঁচিশের নীচে। তাঁরা কেউ রাজধানী লে'র বাসিন্দা নন। দুশো থেকে চারশো কিলোমিটার দূর থেকে আন্দোলনে অংশ নিতে এসেছিলেন তাঁরা।
পূর্ণাঙ্গ রাজ্যের দাবি লাদাখের মানুষের মধ্যে কতটা জোড়ালো হয়ে উঠেছে বুধবারের আন্দোলনেই তা স্পষ্ট। স্থানীয় প্রশাসন এখন পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেয় সেটাই দেখার। নিহত অবসরপ্রাপ্ত সেনা জওয়ান নিছকই আন্দোলনকারী নাকি বিক্ষোভকারীদের তিনি প্রশিক্ষণ এবং অন্যান্যভাবে সহায়তা করছিলেন তাও খতিয়ে দেখা হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে ব্যাপক ধরপাকড় শুরু হয়েছে লে, লাদাখ এবং কারগিলে। পুলিশ জনা পঞ্চাশ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে বুধবারের হিংসাত্মক আন্দোলনের জন্য। তাদের বিরুদ্ধে সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসের মামলা দেওয়া হয়েছে। তার আগে লে-লাদাখের উপরাজ্যপাল কোবিন্দ গুপ্তা উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠক করেন। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়, বুধবারের আন্দোলনের পিছনে কীভাবে একটি মহল ষড়যন্ত্র করেছে তা জনসাধারণের কাছে প্রচার করা হবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় নেপাল ও বাংলাদেশের গণ-অভ্যুত্থানের ভিডিত ছড়িয়ে দিয়ে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ করে তোলা হয়েছিল