সূত্রে খবর, এই জঙ্গিদের দল জইশ-ই-মহম্মদের (JeM) সদস্য বলেই মনে করছে নিরাপত্তা বাহিনী। এলাকা ঘিরে তল্লাশি এখনও চলছে।
.jpg.webp)
ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 22 February 2026 15:42
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কিস্তওয়ারে সেনার অভিযানে নিহত ২ জঙ্গি (2 Terrorists Killed)। রবিবার সকাল থেকেই জম্মু-কাশ্মীরের চাটরু বেল্টের (Chatroo belt) পাসারকুট এলাকায় অভিযান চালায় সেনা, পুলিশ ও সিআরপিএফের যৌথ বাহিনী। এই অভিযানের নাম ছিল 'অপারেশন ত্রসী-ওয়ান' (Operation Trashi-I)।
জানা গেছে, জঙ্গিরা পাহাড়ের ঢালুতে একটি কাঁচা ঘরের ভিতরে লুকিয়ে ছিল। নিরাপত্তা বাহিনী এগিয়ে যেতেই তারা গুলি চালায়, এরপরই শুরু হয় দু'পক্ষের গুলির লড়াই শুরু হয়।
এই অভিযানের নেতৃত্বে থাকা হোয়াইট নাইট কর্পস এক্স-এ পোস্ট করে জানিয়েছে, “অসাধারণ কৌশল দেখিয়ে বাহিনী পুরো এলাকা নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুই জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছে।” নিহতদের কাছ থেকে দুটি একে ৪৭ রাইফেল উদ্ধার করা হয়েছে (2 AK-47 Rifles Recovered)।
সূত্রে খবর, এই জঙ্গিদের দল জইশ-ই-মহম্মদের (JeM) সদস্য বলেই মনে করছে নিরাপত্তা বাহিনী। এলাকা ঘিরে তল্লাশি এখনও চলছে।
চলতি মাসের শুরুতেই পাক জঙ্গি সংগঠন জইশের দুই শীর্ষ কমান্ডার (Jaish Top Commander) জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) উধমপুরে নিরাপত্তাবাহিনীর হাতে নিহত হয়। তাদের কাছ থেকে প্রচুর অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়। তার মধ্যে ছিল একে অ্যাসল্ট রাইফেল, এম৪ কারবাইন।
গত জানুয়ারিতে কিস্তওয়ারে সেনা অভিযানে জইশের এক কমান্ডার উসমান নিহত হয়। শহিদ হয়েছিলেন একজন প্যারাট্রুপারও।
অন্যদিকে, তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গে অভিযান চালিয়ে ধরা পড়ল আট সন্দেহভাজন জঙ্গি। অভিযোগ, পাকিস্তানের আইএসআই (ISI) এবং বাংলাদেশ-ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনের সহায়তায় ভারতে বড়সড় নাশকতার ছক কষছিল এই চক্র। সূত্রের খবর, ধৃতদের মধ্যে এক জন বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছে।
তামিলনাড়ুর তিরুপ্পুর জেলায় গারমেন্টস তৈরির ইউনিটে কাজ করার ছদ্মবেশে থাকত মিজানুর রহমান (Mizanur Rahman), মহম্মদ শাবাত (Mohammed Shabat), উমর (Umar), মহম্মদ লিতন (Mohammed Litan), মহম্মদ শাহিদ (Mohammed Shahid) এবং মহম্মদ উজ্জল (Mohammed Ujjal)। ওই ছ’জনকে সেখান থেকেই গ্রেফতার করে তামিলনাড়ু পুলিশ। পশ্চিমবঙ্গ থেকেও আরও দু’জনকে ধরা হয়েছে।
জানা যাচ্ছে, নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে ভুয়ো আধার কার্ড (Forged Aadhaar Card) ব্যবহার করছিল তারা। তল্লাশিতে উদ্ধার হয়েছে আটটি মোবাইল ফোন ও ১৬টি সিম কার্ড। গোটা চক্রকে তামিলনাড়ু পুলিশই প্রথমে আটক করে। পরে তদন্তের সুবিধার জন্য তাদের দিল্লি পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে।
কয়েকদিন আগেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থা সূত্রে জানা যায়, পাকিস্তান-ভিত্তিক লস্কর-ই-তইবা (Lashkar-e-Taiba) দিল্লির লালকেল্লা (Red Fort) সংলগ্ন এলাকা ও চাঁদনি চকের (Chandni Chowk) এক মন্দির-সহ দেশের নানা গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থানে বিস্ফোরণের ছক কষছে। সন্দেহ, আইইডি (IED) হামলার পরিকল্পনা করছিল জঙ্গিরা। পাকিস্তানের ইসলামাবাদের এক মসজিদে ৬ ফেব্রুয়ারির আত্মঘাতী বিস্ফোরণে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছিল। আহত হয়েছিলেন ১৬০ জনেরও বেশি। যদিও সেই হামলার দায় স্বীকার করেছিল আইএস (Islamic State)।