নয়ডায় পণের দাবিতে পুড়িয়ে খুনের (Noida Dowry Death) অভিযোগে গ্রেফতার স্বামী বিপিন পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ গুলি চালায়। তার পায়ে গুলি লাগে, পরে ফের গ্রেফতার করা হয়।

প্রতীকী ছবি।
শেষ আপডেট: 24 August 2025 14:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গ্রেটার নয়ডায় পণের দাবিতে স্ত্রীকে পুড়িয়ে খুনের মামলায় (Noida Dowry Death) মূল অভিযুক্ত, স্বামী বিপিনকে গুলি করল পুলিশ (Noida cops shoot dowry death accused in leg)। পুলিশের দাবি, শনিবার হেফাজতে থাকাকালীন পালানোর (tries to flee after arrest) চেষ্টা করার সময় তার পায়ে গুলি লাগে।
রবিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে সিরসা চৌরাহার কাছে। জানা গেছে, স্ত্রী নিক্কিকে পুড়িয়ে মারার আগে যে দাহ্য পদার্থ কিনেছিল বিপিন, সেই ‘থিনার’-এর বোতল উদ্ধার করতে বিপিনকে নিয়ে যাচ্ছিল পুলিশ।
পুলিশের দাবি, সেই সময়েই এক অফিসারের পিস্তল ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে এবং পালিয়ে যায় বিপিন। বহুবার সতর্ক করার পরও না থামায় পুলিশ গুলি চালাতে বাধ্য হয়। গুলিতে তার পায়ে আঘাত লাগে।
গত বৃহস্পতিবার নিক্কি অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান। একাধিক ভিডিওতে দেখা গেছে, বিপিন ও তার পরিবারের এক মহিলা সদস্য তাকে নির্যাতন করছেন, চুল টানছেন, আঘাত করছেন। অন্য একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আগুনে জ্বলতে থাকা অবস্থায় সিঁড়ি দিয়ে খুঁড়িয়ে নামছেন নিক্কি, পরে মেঝেতে বসে আছেন সারা শরীরে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায়।
নিক্কির বড় জা কাঞ্চন জানিয়েছেন, বিয়ের পর থেকেই তাদের দু’জনকে পণের জন্য নির্যাতন করা হতো। তাদের শ্বশুরবাড়ির দাবি ছিল ৩৬ লাখ টাকা। কাঞ্চনের কথায়, “আমাদের প্রায়ই বলা হতো, বিয়েতে এই জিনিসটা পাওয়া যায়নি, ওইটা দেওয়া হয়নি। বৃহস্পতিবার রাতেও আমায় ভোর চারটে পর্যন্ত নির্যাতন করা হয়। তারপর বিকেলে আমার চোখের সামনে আমার ছোট জাকে মারধর করে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। আমি বাঁচানোর চেষ্টা করি, কিন্তু পারিনি। অজ্ঞান হয়ে পড়ে যাই।”
নিক্কির প্রত্যক্ষদর্শী ছেলেও একই দাবি করেছে। সে বলেছে, “মাম্মির ওপর তরল কিছু ঢেলে চড়-থাপ্পড় মেরে লাইটার দিয়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়।”