সম্প্রতি দিল্লির লালকেল্লার (Delhi Blast) কাছে ১০ নভেম্বরের বিস্ফোরণ হামলার মামলায় আল-ফলাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসকদের গ্রেফতারের জেরে এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে।

আল-ফলাহ মেডিক্যাল কলেজ
শেষ আপডেট: 21 November 2025 19:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশ জুড়ে মেডিক্যাল কলেজ (Medical College) ও চিকিৎসকদের জন্য নতুন আচরণবিধি আনতে চলেছে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন (NMC)। কর্মক্ষেত্রে ‘অ্যান্টি-ন্যাশনাল’ (Anti National) বা দেশবিরোধী কাজ কারবার ঠেকাতে এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতেই এই নির্দেশিকা, এমনই সূত্রের খবর।
সম্প্রতি দিল্লির লালকেল্লার (Delhi Blast) কাছে ১০ নভেম্বরের বিস্ফোরণ হামলার মামলায় আল-ফলাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসকদের গ্রেফতারের জেরে এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে। ঘটনায় জইশ-ই-মহম্মদ যোগের অভিযোগ উঠেছে ধৃতদের বিরুদ্ধে।
এনএমসি-র এথিক্স এবং মেডিক্যাল রেজিস্ট্রেশন বোর্ড এই নির্দেশিকা তৈরি করছে। দেশের সব চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই পাঠানো হবে তা। দায়িত্ববোধ, পেশাগত আচরণ, জাতীয় স্বাস্থ্য অগ্রাধিকার, সবকিছুই সেখানে পূর্বনির্ধারিত করে দেওয়া হবে।
এক শীর্ষ কর্তা সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আল-ফলাহ মেডিক্যাল কলেজের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে চলতি তদন্তের ওপর। তাঁর কথায়, “হরিয়ানা সরকার ও কেন্দ্রের মতামত দেখেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন।”
আল-ফলাহর ভবিষ্যৎ কী?
হরিয়ানা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি আইন অনুযায়ী আল-ফলাহ একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, যেখানে মেডিক্যাল ছাড়াও একাধিক কোর্স পড়ানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয়টি স্বীকৃত মেডিক্যাল কলেজ হিসেবে বহাল থাকবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্য সরকারই।
২০১৯ সালে অনুমোদন পাওয়া আল-ফলাহ মেডিক্যাল কলেজে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ১৫০টি এমবিবিএস আসন ইতিমধ্যেই পূর্ণ। ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যেন কোনও আশঙ্কা না থাকে, সে নিয়ে আশ্বস্ত করেছে NMC। কমিশনের বক্তব্য, “দোষী নন এমন কোনও মেডিক্যাল ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যৎ নষ্ট হতে দেওয়া হবে না।”
এদিকে আর্থিক তছরুপের মামলায় আল-ফলাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান জওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকিকে গ্রেফতার করেছে ইডি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও আর্থিক লেনদেন নিয়েও চলেছে জোর তল্লাশি। সংশ্লিষ্ট ট্রাস্ট ও অন্যান্য সংস্থার আর্থিক খাতা এখন ইডির নজরে।
দিল্লি বিস্ফোরণ (Delhi Incident) মামলায় ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্ব (Al Falah University Delhi blast link), অবদান বিশদে খতিয়ে দেখতে আরও একধাপ এগিয়েছে তদন্ত। বেশিরভাগ ইঙ্গিত বলছে, বিশ্ববিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন ধরে এক চরমপন্থী মডিউলের ঘাঁটি হিসেবে কাজ করছিল, এমনই সন্দেহে বৃহস্পতিবার বিশেষ তদন্ত দল বা SIT গঠন করল ফরিদাবাদ পুলিশ (Faridabad Police SIT investigation)। এই ঘটনার পর সমান্তরালভাবে একাধিক কেন্দ্রীয় সংস্থা–সহ রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাও নড়েচড়ে বসেছে।